
◼️স্বাস্থ্য ডেস্কঃ
গ্রীষ্মের প্রখর রোদ আর ভ্যাপসা গরমে আমাদের শরীর ঘেমে একাকার হয়ে যায়। এ সময় ত্বকে সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা দেখা দেয় তা হলো ঘামাচি। এটি সাধারণত গরমের দিনে ঘাম জমে লোমকূপ বন্ধ হয়ে যাওয়ার ফলে হয়। শিশুদের ক্ষেত্রে ঘামাচি বেশি দেখা গেলেও বড়রাও এই সমস্যার শিকার হন। তবে একটু সতর্কতা আর ঘরোয়া কিছু উপায় মেনে চললে সহজেই ঘামাচির যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ঘামাচি মূলত একটি ত্বকের প্রদাহ, যা অতিরিক্ত ঘাম জমে ত্বকের ছিদ্র বন্ধ হয়ে গেলে দেখা দেয়। এতে ত্বকে লালচে দানা, চুলকানি ও জ্বালাভাব তৈরি হয়। অনেক সময় ঘামাচির জায়গায় ইনফেকশনও হতে পারে।
ঘরোয়া কিছু সমাধান—
ত্বকের এই সমস্যায় ওষুধের আগে ঘরোয়া কিছু সমাধান খুব ভালো কাজ করে। যেমন:
বেসন ও দইয়ের প্যাক: সামান্য বেসনে এক চামচ দই মিশিয়ে ঘামাচির জায়গায় লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি ত্বক ঠাণ্ডা রাখে এবং জীবাণু প্রতিরোধে সাহায্য করে।
চন্দন গুঁড়া ও গোলাপজল: চন্দনের ঠাণ্ডা গুণ ত্বকের জ্বালা ও চুলকানি কমায়। এটি ঘামাচির স্থানে লাগালে প্রশান্তি পাওয়া যায়।
নারকেল তেল ও কর্পূর: একটি পুরনো ঘরোয়া টোটকা, যা ঘামাচির সংক্রমণ রোধে সাহায্য করে।
বেবি পাউডার: শরীর পরিষ্কার করে হালকা বেবি পাউডার ব্যবহার করলে ঘাম কমে এবং ঘামাচির প্রকোপ কমে।
ঘামাচি হলে বেশি টাইট বা সিনথেটিক কাপড় পরা এড়িয়ে চলা উচিত। হালকা রঙের, ঢিলেঢালা ও সুতি কাপড় পরলে শরীর শ্বাস নিতে পারে, ঘাম কম হয় এবং ত্বক ভালো থাকে। এছাড়া নিয়মিত ঠাণ্ডা পানি দিয়ে গোসল এবং শরীর পরিষ্কার রাখাও গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য সচেতন থাকুন, গরমে সতর্ক থাকুন।
প্রতিবেদকের নাম 
















