
খাইরুল ইসলাম–ঢাকা◼️
গোপালগঞ্জে শান্তিপূর্ণ এনসিপি সমাবেশে বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশে দায়িত্বে থাকা অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। সরকার একে “অপরাধমূলক সহিংসতা” আখ্যা দিয়ে বলেছে—একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে এমন ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তরুণ কর্মীদের শান্তিপূর্ণভাবে এক বছরের সংগ্রামী আন্দোলনের স্মরণে আয়োজিত সমাবেশে হামলা চালানো হয়েছে। এতে পুলিশ, সংবাদকর্মী এবং সাধারণ নাগরিকরা পর্যন্ত হামলার শিকার হন। ভাঙচুর করা হয় গাড়ি, এবং একাধিক ব্যক্তিকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
এই নির্মম হামলার জন্য যাদের দায়ী করা হচ্ছে—তারা নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তাদের ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের পরিচয়ে পরিচিত। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জানিয়েছে, এই জঘন্য হামলার নেপথ্যে যারা জড়িত, তাদের দ্রুত শনাক্ত করে কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।
সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়, “বাংলাদেশের মাটিতে কোনো নাগরিকের ওপর এমন নৃশংসতা বরদাশত করা হবে না। অপরাধীরা যা-ই হোক, কেউ ছাড় পাবে না।”
তবে হামলার মধ্যেও যেভাবে সেনাবাহিনী ও পুলিশ দ্রুত হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে, এবং এনসিপির কর্মীরা যেভাবে সাহসিকতার সঙ্গে সমাবেশ চালিয়ে যায়—তার প্রশংসা জানিয়েছে সরকার।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, “এই বর্বরতা যারা চালিয়েছে, তাদের বিচার হবেই। আমরা স্পষ্ট করে দিতে চাই—সহিংসতার কোনো জায়গা এই দেশে নেই। ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা হবে এবং দেশের জনগণ সত্য ও সাহসের পাশে থাকবে।”
প্রতিবেদকের নাম 






















