Dhaka ০৩:১৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডিমলায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় বালুভর্তি ট্রলি জব্দ

মোঃ হাসানুর রহমান মোহন,নীলফামারী: নীলফামারীর ডিমলায় অভিযান চালিয়ে বালু পরিবহনের ১টি  ট্রলি জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (৪ নভেম্বর ) সকাল ৭:০৫ মিনিটে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের কাঠেরপুর এলাকায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমান আদাতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আখতার । এ সময় ডিমলা থানা পুলিশের এএসআই আরিফ সহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায় অভিযানের সময় অবৈধ ভাবে নাউতারা নদী থেকে বালু উত্তোলনের সময় ১টি বালু বহনকারী ট্রাক্টর (ট্রলি) জব্দ করা হয়। এসময় ট্রলি মালিক মোঃ সফিয়ার রহমান উপস্থিত না থাকায় জব্দ করে মালামাল (১টি ট্রলি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৩টি বেলচা) উপজেলা ভূমি অফিসে নেওয়া হয়।  প্রতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয় শত শত বসতভিটা ও ফসলি জমি। নদী ভাঙ্গন রোধে সরকারিভাবে পদক্ষেপ নিলেও কিছু বালু সিন্ডিকেট নাউতারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। শুধু বালু উত্তোলনই নয়, নদীর পাড় থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাকে করে বালু বিক্রি করা হচ্ছে। এতে লাভবান হচ্ছেন বালু সিন্ডিকেট ও বালু ব্যবসায়ীরা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী তীরের বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলো। নাউতারা নদী পাড়ের পরিবারগুলো বলছেন, এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করায় অনেকটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আখতার জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে সাংবাদিকদের কাছে বোমা মেশিন ব্যবহার নদী থেকে টলী বা ট্রলি/ ট্রাক যোগে নিয়ে বিক্রিসহ বালু সিণ্ডিকেটের সদস্যদের তথ্য দিয়ে সহযোগীতা চেয়েছেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

ডিমলায় ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনায় বালুভর্তি ট্রলি জব্দ

আপডেটের সময়: ০২:১০:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৪ নভেম্বর ২০২৩

মোঃ হাসানুর রহমান মোহন,নীলফামারী: নীলফামারীর ডিমলায় অভিযান চালিয়ে বালু পরিবহনের ১টি  ট্রলি জব্দ করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।

শনিবার (৪ নভেম্বর ) সকাল ৭:০৫ মিনিটে নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার গয়াবাড়ি ইউনিয়নের কাঠেরপুর এলাকায় অভিযান চালান ভ্রাম্যমান আদাতের ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আখতার । এ সময় ডিমলা থানা পুলিশের এএসআই আরিফ সহ সঙ্গীয় ফোর্স উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায় অভিযানের সময় অবৈধ ভাবে নাউতারা নদী থেকে বালু উত্তোলনের সময় ১টি বালু বহনকারী ট্রাক্টর (ট্রলি) জব্দ করা হয়। এসময় ট্রলি মালিক মোঃ সফিয়ার রহমান উপস্থিত না থাকায় জব্দ করে মালামাল (১টি ট্রলি ও বালু উত্তোলনের কাজে ব্যবহৃত ৩টি বেলচা) উপজেলা ভূমি অফিসে নেওয়া হয়।  প্রতি বর্ষা মৌসুমে তিস্তা নদীর ভাঙ্গনে বিলীন হয় শত শত বসতভিটা ও ফসলি জমি। নদী ভাঙ্গন রোধে সরকারিভাবে পদক্ষেপ নিলেও কিছু বালু সিন্ডিকেট নাউতারা নদীতে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। শুধু বালু উত্তোলনই নয়, নদীর পাড় থেকে প্রতিদিন শত শত ট্রাকে করে বালু বিক্রি করা হচ্ছে। এতে লাভবান হচ্ছেন বালু সিন্ডিকেট ও বালু ব্যবসায়ীরা, ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে নদী তীরের বসবাসরত অসহায় পরিবারগুলো। নাউতারা নদী পাড়ের পরিবারগুলো বলছেন, এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করায় অনেকটা স্বস্তি ফিরে এসেছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) ফারজানা আখতার জানান, এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে সাংবাদিকদের কাছে বোমা মেশিন ব্যবহার নদী থেকে টলী বা ট্রলি/ ট্রাক যোগে নিয়ে বিক্রিসহ বালু সিণ্ডিকেটের সদস্যদের তথ্য দিয়ে সহযোগীতা চেয়েছেন।