
◼️মাহাবুর রহমান– কেশবপুর (যশোর)
যশোরের কেশবপুরে সোনালী ব্যাংকের গ্রাহকরা দীর্ঘদিন ধরে পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধার অভাবে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। সেবা নিতে এসে সাইকেল ও মোটরসাইকেল রাখার নিরাপদ জায়গা না পাওয়ায় অনেককে বিড়ম্বনায় পড়তে হচ্ছে। গ্রাহকদের অভিযোগ, গত এক বছরে অন্তত ১৫টি সাইকেল ও মোটরসাইকেল চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ অবস্থায় তারা ব্যাংকের শাখা পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধাসম্পন্ন স্থানে স্থানান্তরের দাবি জানাচ্ছেন।
জানা গেছে, কেশবপুর শহরের ত্রিমোহিনী মোড়ে মার্কেটের দ্বিতীয় তলায় সোনালী ব্যাংকের এই শাখা দীর্ঘদিন ধরে কার্যক্রম পরিচালনা করছে। সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, পেনশন ও অবসরভাতা প্রদান, শিক্ষার্থীদের বৃত্তি, সামাজিক নিরাপত্তাজনিত ভাতা, সরকারি সঞ্চয়পত্র ক্রয়-বিক্রয়, খাদ্যশস্য ক্রয় বিল, হজ্জ্ব ও জাকাত ফান্ড গ্রহণসহ নানা সেবার জন্য প্রতিদিন হাজারো গ্রাহক এই ব্যাংকে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত পার্কিং না থাকায় গ্রাহকদের অনেককে বাধ্য হয়ে আশপাশের দোকানের সামনে যানবাহন রাখতে হচ্ছে, যেখানে নেই কোনো নিরাপত্তা ব্যবস্থা।
ব্যাংকের গ্রাহক ইমরান হোসেন ক্বারী বলেন, প্রতিদিন টাকা লেনদেনের কাজে ব্যাংকে আসতে হয়। কিন্তু মোটরসাইকেল রাখার জায়গা না থাকায় দুশ্চিন্তায় থাকতে হয়। গ্রাহকের সুবিধার্থে যথেষ্ট পার্কিং ব্যবস্থা রাখা জরুরি।
মাছ ব্যবসায়ী উবাইদুর রহমান জানান, প্রতিদিন বিপুল অর্থ লেনদেন করতে হয়। নিচে মোটরসাইকেল রাখার ভালো জায়গা নেই, সামান্য যে জায়গা আছে সেটিও নিরাপত্তাহীন। এতে চুরির ভয়ে কাজের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।
আরেক গ্রাহক হাফিজুর রহমান বলেন, পর্যাপ্ত পার্কিং না থাকায় বহুদিন ধরে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। এমন স্থানে শাখা স্থানান্তর করা উচিত, যেখানে পার্কিং সুবিধা নিশ্চিত থাকবে।
গ্রাহক আব্দুল করিমের অভিযোগ, কর্র্তৃপক্ষ বিষয়টি জানলেও কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। গ্রাহকদের সুবিধা বিবেচনা করে ব্যাংকের শাখা পর্যাপ্ত পার্কিং সুবিধাসম্পন্ন স্থানে নেওয়া প্রয়োজন।
ব্যবসায়ী আবু হাসান রনি, আবুল কালাম আজাদ, শহিদুল ইসলামসহ শতাধিক গ্রাহকও একই দাবি জানিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, স্থান সংকুলান না হওয়ায় আপাতত পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে গ্রাহকরা বলছেন, এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হলে ভোগান্তি আরও বাড়বে।
প্রতিবেদকের নাম 

























