Dhaka ০৬:৫১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫
আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাবের কঠোর অবস্থান

র‍্যাব-৯ এর অভিযানে জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

print news

র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম সৈদুল আহমেদ (২৪) সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানাধীন মেঘারকান্দি এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম নিজের বসত বাড়ির সামনে গবাদি পশুকে ঘাস খাওয়ার জন্য নিয়ে গেলে বিবাদী মফিজ উদ্দিনের বসত বাড়ির সীমানায় গবাদি পশু প্রবেশ করলে অকথ্য ভাষায় ভিকটিমকে গালাগালিজ করে। এর পূর্বে বিবাদীদের সাথে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিবাদীগণ ভিকটিমকে মারধরের জন্য উদ্যত হয়। পরবর্তীতে কয়েকজন বিবাদী প্রকাশ্যে মাদক সেবনকালে ভিকটিম তাদেরকে বাধা দিলে তারা ভিকটিমকে কিলঘুষি মারে এবং মারধর করার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে।

ঘটনার দিত গত ১৬/০৫/২০২৫খ্রি. তারিখ আনুমানিক সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম ঘাস কাটার জন্য বস্তা ও কাঁচি নিয়ে রৌয়াইল এলাকার মুমিনা জোকারবন্দে হাওরে যায়। ভিকটিম দুপুর পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিকাল অনুমান ৪.০০ ঘটিকায় ভিকটিমের পিতা জানতে পারেন যে, মৃত ফারুক মিয়ার ধানি জমিতে একটি রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে।

উক্ত সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের পিতা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমের মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম, গলা কাটা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দ্বারা আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায় এবং তার ছেলে বলে চিহ্নিত করেন। ভিকটিমের পিতার ধারনা বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিমকে খুন করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে যায়।

উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জের এর যৌথ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ১০.১০ ঘটিকায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন নোয়াপাড়া ইউপির রতনপুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার মামলা নং-১৩, তাং-১৭/০৫/২০২৫ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; এর মূলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ‘সৈদুল আহমেদ’ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৬নং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি- রোকেল মিয়া (২৭), পিতা- মৃত আব্দুল হেকিম, সাং-হিলালপুর, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা-সুনামগঞ্জ।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উক্ত মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় র‍্যাবের কঠোর অবস্থান

র‍্যাব-৯ এর অভিযানে জগন্নাথপুরে হত্যা মামলার পলাতক আসামি গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ১১:২৪:১২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬
print news

র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব-৯) এলিট ফোর্স হিসেবে আত্মপ্রকাশের সূচনালগ্ন থেকেই বিভিন্ন ধরনের নৃশংস ও ঘৃণ্যতম অপরাধ বিশেষ করে মাদক উদ্ধার, হত্যা মামলা, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ, জঙ্গি দমন, অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও ছিনতাইকারীসহ বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতারে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

এছাড়াও যে কোন ধরনের সহিংসতা প্রতিরোধে র‍্যাবের প্রতিটি সদস্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে জনসাধারণের জন্য একটি নিরাপদ বাসযোগ্য সমাজ তথা দেশ বিনির্মাণে নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

ঘটনার বিবরণে জানা যায় যে, ভিকটিম সৈদুল আহমেদ (২৪) সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানাধীন মেঘারকান্দি এলাকার বাসিন্দা। ভিকটিম নিজের বসত বাড়ির সামনে গবাদি পশুকে ঘাস খাওয়ার জন্য নিয়ে গেলে বিবাদী মফিজ উদ্দিনের বসত বাড়ির সীমানায় গবাদি পশু প্রবেশ করলে অকথ্য ভাষায় ভিকটিমকে গালাগালিজ করে। এর পূর্বে বিবাদীদের সাথে পাওনা টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে বিবাদীগণ ভিকটিমকে মারধরের জন্য উদ্যত হয়। পরবর্তীতে কয়েকজন বিবাদী প্রকাশ্যে মাদক সেবনকালে ভিকটিম তাদেরকে বাধা দিলে তারা ভিকটিমকে কিলঘুষি মারে এবং মারধর করার জন্য ওঁৎ পেতে থাকে।

ঘটনার দিত গত ১৬/০৫/২০২৫খ্রি. তারিখ আনুমানিক সকাল ১০.০০ ঘটিকার সময় ভিকটিম ঘাস কাটার জন্য বস্তা ও কাঁচি নিয়ে রৌয়াইল এলাকার মুমিনা জোকারবন্দে হাওরে যায়। ভিকটিম দুপুর পর্যন্ত বাড়িতে ফিরে না আসায় খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বিকাল অনুমান ৪.০০ ঘটিকায় ভিকটিমের পিতা জানতে পারেন যে, মৃত ফারুক মিয়ার ধানি জমিতে একটি রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে।

উক্ত সংবাদ পেয়ে ভিকটিমের পিতা ঘটনাস্থলে গিয়ে ভিকটিমের মাথায় গুরুতর রক্তাক্ত জখম, গলা কাটা এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্র দ্বারা আঘাতের চিহ্ন দেখতে পায় এবং তার ছেলে বলে চিহ্নিত করেন। ভিকটিমের পিতার ধারনা বিবাদীগণ পরস্পর যোগসাজসে ভিকটিমকে খুন করে ঘটনাস্থলে লাশ ফেলে যায়।

উক্ত ঘটনায় ভিকটিমের পিতা বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে আসামিদের আইনের আওতায় আনতে র‍্যাব-৯ এই ঘটনার ছায়া তদন্ত শুরু করে এবং গোয়েন্দা তৎপরতা জোরদার করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র‍্যাব-৯, সিপিসি-৩, সুনামগঞ্জ এবং সিপিসি-৩, শায়েস্তাগঞ্জ ক্যাম্প, হবিগঞ্জের এর যৌথ এর একটি যৌথ আভিযানিক দল গত ১৪ জানুয়ারি ২০২৬ খ্রি. তারিখ আনুমানিক রাত ১০.১০ ঘটিকায় হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর থানাধীন নোয়াপাড়া ইউপির রতনপুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানার মামলা নং-১৩, তাং-১৭/০৫/২০২৫ খ্রি., ধারা- ৩০২/৩৪ পেনাল কোড ১৮৬০; এর মূলে সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে ‘সৈদুল আহমেদ’ হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ০৬নং পলাতক আসামিকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়।

গ্রেফতারকৃত আসামি- রোকেল মিয়া (২৭), পিতা- মৃত আব্দুল হেকিম, সাং-হিলালপুর, থানা- জগন্নাথপুর, জেলা-সুনামগঞ্জ।

পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের লক্ষ্যে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সুনামগঞ্জ জেলার জগন্নাথপুর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

এছাড়াও দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে উক্ত মামলার অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারের লক্ষ্যে র‍্যাব-৯ এর চলমান গোয়েন্দা তৎপরতা ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।