
◼️মোহাম্মদ সান–মেহেরপুর জেলা
মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বিতীয় শ্রেণীর এক শিক্ষার্থীকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে আব্দুল খালেক মন্ডল (৪৫) নামের এক ভ্যানচালককে স্থানীয়রা ও শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ করেছেন। রোববার (২৭ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সন্ধানী স্কুল সংলগ্ন সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
ভ্যানচালক আব্দুল খালেক মন্ডল গাংনী পৌর এলাকার বাঁশবাড়িয়া গ্রামের মৃত চেতন মন্ডলের ছেলে। প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, খালেক মন্ডল দুপুরে সন্ধানী স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীকে নিয়ে বাঁশবাড়িয়া ও গাড়াডোব গ্রামের পথে যাচ্ছিল। পথে বাঁশবাড়িয়া এলাকায় একজন ছাত্রী নেমে গেলে অপর ছাত্রীকে একা পেয়ে সে অশ্লীল মন্তব্য করতে থাকে। অভিযোগ, খালেক বারবার ওই শিক্ষার্থীকে উদ্দেশ্য করে অশ্লীল কথাবার্তা বলছিল।
শিক্ষার্থী কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি গিয়ে পরিবারের কাছে বিষয়টি জানালে তারা সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় লোকজনকে নিয়ে অভিযুক্তকে ধরে ফেলে। পরে উত্ত্যক্ত করার দায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে গণপিটুনি দিয়ে গাংনী সেনা ক্যাম্পে সোপর্দ করে।
পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এর আগেও গত ২১ জুলাই একই ভ্যানচালক একই শিক্ষার্থীকে একা পেয়ে ভ্যানে তুলে অশ্লীল ভাষা ব্যবহার করেছিল। প্রথমে বিষয়টি লুকিয়ে রাখলেও আজ পুনরায় ঘটনার পুনরাবৃত্তি হলে তারা মামলা করার সিদ্ধান্ত নেয়।
অভিভাবকরা উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শিশুর নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশাসনের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ কামনা করছেন তারা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সংলগ্ন এলাকায় শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
গাংনী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বাণী ইসরাইল ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, অভিযুক্তের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ১০ ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাকে গ্রেফতার দেখিয়ে মেহেরপুর জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
প্রতিবেদকের নাম 


























