
খাইরুল ইসলাম–ডেস্ক রিপোর্ট◼️
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের আগেই জমজমাট হয়ে উঠেছে সারা দেশের মিষ্টির দোকানগুলো। রাজধানী ঢাকা এবং সিলেট শহরে মিষ্টির অগ্রিম অর্ডার, অতিরিক্ত কর্মচারী নিয়োগ আর উৎপাদনের ধুমে এখন যেন উৎসবের আমেজ। ফলাফল যাই হোক—মিষ্টি মুখ যে হবেই, তা বলে দিচ্ছে দোকানগুলোর ব্যস্ততা।
রাজধানীর রমনা, মগবাজার, ধানমন্ডি, পুরান ঢাকা—সব জায়গায় মিষ্টির দোকানগুলোতে সকাল থেকেই বাড়তি সরবরাহ দেখা গেছে। ব্যবসায়ীরা বলছেন, “আগের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝে নিয়েছি—ফল প্রকাশের দিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিক্রির চাপ থাকবে। তাই আগেই তৈরি রাখছি সব।
ঢাকার ‘মধুবন মিষ্টান্ন ভান্ডার’-এর ব্যবস্থাপক জসিম উদ্দিন জানান,
“গতবছরের চেয়ে এবার মিষ্টির চাহিদা বেশি। শুধুমাত্র জিপিএ-৫ পাওয়া ছাত্রছাত্রীদের পরিবারই নয়, অনেক আত্মীয়স্বজনও অগ্রিম অর্ডার দিচ্ছেন। প্রস্তুতির জন্য রাত জেগে কাজ করতে হচ্ছে।
অন্যদিকে, সিলেট শহরের আম্বরখানা, জিন্দাবাজার, কাজিরবাজার ও দক্ষিণ সুরমা এলাকায় একই চিত্র। দোকানে তৈরি হচ্ছে রসগোল্লা, চমচম, সন্দেশ, লাড্ডু। কেউ ৫ কেজি, কেউ ১০ কেজি করে অর্ডার দিচ্ছেন।
সিলেটের বন্দরবাজারের ‘স্বরস্বতী মিষ্টান্ন’ দোকানের মালিক শাহাব উদ্দিন বলেন,“সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনজন বাড়তি লোক নিয়েছি। গতবার ফলের দিন বিক্রির পরিমাণ ছিল ৪০ হাজার টাকা। এবার সেটা ছাড়িয়ে যাবে আশা করছি।
এদিকে শুধু মিষ্টি নয়, প্রস্তুতি নিচ্ছে কেকের দোকান, ফুলের দোকান ও গিফট কার্ড ব্যবসায়ীরাও। ঢাকা ও সিলেটের বেশ কয়েকটি ফুল দোকান ঘুরে জানা যায়, অনেকেই ফুলের তোড়া অগ্রিম অর্ডার দিয়ে রেখেছেন।
এক অভিভাবক জানান,
“আমার ছেলেমেয়ে ভালো রেজাল্ট করলে সবাইকে মিষ্টি খাওয়াবো। ওর প্রিয় মিষ্টিগুলো আজই নিয়ে রাখছি।
ফল প্রকাশের কয়েক ঘণ্টা আগে থেকেই এ যেন এক আগাম উৎসব। শিক্ষার্থীদের সাফল্যের আনন্দ, পরিবার ও আত্মীয়স্বজনের উচ্ছ্বাস আর ব্যবসায়ীদের ব্যস্ততা—সব মিলিয়ে রাজধানী ও সিলেটে এসএসসি রেজাল্ট ঘিরে তৈরি হয়েছে আনন্দঘন পরিবেশ।
প্রতিবেদকের নাম 
















