
আরিফুর রহমান তীব্র- লক্ষ্মীপুর◾
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে লক্ষ্মীপুরে মেঘনা নদী উত্তাল হয়ে উঠেছে। বৃহস্পতিবার (২৯ মে) ভোররাত থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি ও মাঝারি বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। নদী উত্তাল হওয়ায় লক্ষ্মীপুর-ভোলা-বরিশাল নৌরুটে সব ধরনের নৌযান চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।
নদীর উত্তাল অবস্থার কারণে ভোররাতে ভোলার উদ্দেশ্যে লক্ষ্মীপুরের মজু চৌধুরীর হাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ফেরি বেগম সুফিয়া কামাল ও বেগম রোকেয়া ফেরত আসার চেষ্টা করে। এর মধ্যে বেগম সুফিয়া কামাল ফেরিটি মজু চৌধুরীর হাট ঘাটে এসে ভিড়তে পারলেও বেগম রোকেয়া ফেরিটি আটকা পড়ে যায় কমলনগর উপজেলার মতিরহাট এলাকায়।
বেগম সুফিয়া কামাল ফেরিতে ছিল চারটি লাশবাহী গাড়ি। ফেরিটি ঘাটে ফিরলেও নদীপথে যাত্রা অনিশ্চিত হয়ে পড়ায় এর মধ্যে তিনটি গাড়ি সড়কপথে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। একটি গাড়ি এখনও ঘাটেই রয়েছে।
ভোলা ফেরিঘাটের সহ-ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. আতিকুজ্জামান জানান, নদীতে এখন ভাটা থাকায় বেগম রোকেয়া ফেরিটি মতিরহাট এলাকায় আটকে আছে। জোয়ার এলে ফেরিটি মজু চৌধুরীর হাট ঘাটে ফিরে আসবে। তিনি আরও জানান, লক্ষ্মীপুর-ভোলা রুটে পাঁচটি ফেরি চলাচল করে। বর্তমানে বেগম রোকেয়া ছাড়া বাকি চারটি ফেরি মজু চৌধুরীর হাট ঘাটে অবস্থান করছে। ভোলার ইলিশা ফেরিঘাটে নদী উত্তাল থাকায় ফেরি রাখার সুযোগ নেই।
ফেরিঘাট এলাকার ব্যবসায়ী আলমগীর হোসেন বলেন, ফেরি সুফিয়া কামালে থাকা চারটি লাশবাহী গাড়ির মধ্যে তিনটি ইতোমধ্যে সড়কপথে চলে গেছে।
এদিকে মজু চৌধুরীর হাট লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক সুপারভাইজার শরীফুল ইসলাম জানান, বুধবার রাতে নদীতে সতর্কতা সংকেত জারি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে ভোলা ও বরিশালের উদ্দেশ্যে লঞ্চ ছেড়ে যাওয়ার কথা থাকলেও সতর্কতা সংকেত বহাল থাকায় পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত লঞ্চ চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। এই রুটে পাঁচটি লঞ্চ চলাচল করে, যার মধ্যে দুটি বরিশালগামী। বর্তমানে তিনটি লঞ্চ মজু চৌধুরীর হাট ঘাটে অবস্থান করছে।
প্রতিবেদকের নাম 
















