Dhaka ১১:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

রৌমারীতে সরকারী রাস্তার গাছ কর্তনের অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৭২ সময় দেখুন

সাহের আলী,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের নলবাড়ী গ্রাম সংলগ্ন রাস্তার ইউক্লিপটাস তাজা দুটি গাছ কর্তন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে আলম মিয়া বিরুদ্ধে। রবিবার (১৩ জানুয়ারী) দুপুরের দিকে নলবাড়ি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের নলবাড়ি গ্রামের আলম মিয়া মোটা দুটি ইউক্লিপটাস তাজা গাছ বিক্রি করেন বাইটকামারী বাজার পাড়া গ্রামের ওমর আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলীর কাছে। মোহাম্মদ আলী তার লোকজনজন দিয়ে সরকারি রাস্তার একটি গাছ কর্তন করেন ও অন্য আরেকটি গাছ কাটা শুরু করেন। এসময় স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে মোহাম্মদ আলীকে গাছ কাটতে বাধা দেন এবং তার লোকজন দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন সহকারি কমিশনার ভূমি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভা:)কে বিষয়টি জানালে তিনি বন্দবেড় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আব্দুস সালামকে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদনের জন্য নির্দেশ দেন। এর আগেও মোহাম্মদ আলী চোরাইভাবে ওই এলাকার বিভিন্ন রাস্তার গাছ কর্তন করে আসছিলেন।

কাঠ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী জানান, রাস্তার গাছ দুইটি আমি কিনে নিয়েছি। গাছর দাম দিয়েছি ২০ হাজার টাকা। রাস্তার গাছ কেনো কাঠলেন জানতে চাইলে, তিনি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে বলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলম বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা।

ইউনিয়ন উপসহকারি ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম মন্ডল, সরেজমিনে তদন্ত করে এসিল্যান্ড বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেছি। আপনারা চাইলে এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে দেখতে পারবেন।

উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তা ফজলুল হক এর ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

দাতঁভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের সরকার বলেন, রাস্তাটি সরকারি,তবে গাছগুলো মালিকা। তাই তারা দুটি গাছ কেটে নিয়েছে।

সহকারি কমিশনার ভূমি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভার:) রাসেল দিও জানান, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে সরেজমিনে দেখতে পাঠানো হয়। পরে তারা দেখে আমাকে জানান, যারা গাছ লাগিয়েছে তারাই কেটেছে। রাস্তা সরকারি হলেও গাছ মালিকানা। এরপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখতেছি।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

রৌমারীতে সরকারী রাস্তার গাছ কর্তনের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ০৯:২৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৫

সাহের আলী,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের নলবাড়ী গ্রাম সংলগ্ন রাস্তার ইউক্লিপটাস তাজা দুটি গাছ কর্তন করে বিক্রি করার অভিযোগ উঠেছে আলম মিয়া বিরুদ্ধে। রবিবার (১৩ জানুয়ারী) দুপুরের দিকে নলবাড়ি এলাকায় এ ঘটনাটি ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নের নলবাড়ি গ্রামের আলম মিয়া মোটা দুটি ইউক্লিপটাস তাজা গাছ বিক্রি করেন বাইটকামারী বাজার পাড়া গ্রামের ওমর আলীর পুত্র মোহাম্মদ আলীর কাছে। মোহাম্মদ আলী তার লোকজনজন দিয়ে সরকারি রাস্তার একটি গাছ কর্তন করেন ও অন্য আরেকটি গাছ কাটা শুরু করেন। এসময় স্থানীয়রা বিষয়টি দেখে মোহাম্মদ আলীকে গাছ কাটতে বাধা দেন এবং তার লোকজন দ্রুত পালিয়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন সহকারি কমিশনার ভূমি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভা:)কে বিষয়টি জানালে তিনি বন্দবেড় ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা (তহশিলদার) আব্দুস সালামকে সরেজমিনে তদন্ত করে প্রতিবেদনের জন্য নির্দেশ দেন। এর আগেও মোহাম্মদ আলী চোরাইভাবে ওই এলাকার বিভিন্ন রাস্তার গাছ কর্তন করে আসছিলেন।

কাঠ ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলী জানান, রাস্তার গাছ দুইটি আমি কিনে নিয়েছি। গাছর দাম দিয়েছি ২০ হাজার টাকা। রাস্তার গাছ কেনো কাঠলেন জানতে চাইলে, তিনি চেয়ারম্যানের সাথে কথা বলতে বলেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহ আলম বলেন, আমি এ বিষয়ে কিছুই জানিনা।

ইউনিয়ন উপসহকারি ভূমি কর্মকর্তা আব্দুস সালাম মন্ডল, সরেজমিনে তদন্ত করে এসিল্যান্ড বরাবর প্রতিবেদন দাখিল করেছি। আপনারা চাইলে এসিল্যান্ড অফিসে গিয়ে দেখতে পারবেন।

উপজেলা বনবিভাগের কর্মকর্তা ফজলুল হক এর ব্যবহৃত ফোন নম্বরটি বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

দাতঁভাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল কাদের সরকার বলেন, রাস্তাটি সরকারি,তবে গাছগুলো মালিকা। তাই তারা দুটি গাছ কেটে নিয়েছে।

সহকারি কমিশনার ভূমি ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ভার:) রাসেল দিও জানান, ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তাকে সরেজমিনে দেখতে পাঠানো হয়। পরে তারা দেখে আমাকে জানান, যারা গাছ লাগিয়েছে তারাই কেটেছে। রাস্তা সরকারি হলেও গাছ মালিকানা। এরপরেও বিষয়টি খতিয়ে দেখতেছি।