মুহাম্মদ আরিফ,ভোলা প্রতিনিধি: ভোলায় বন্ধন হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে ভুল চিকিৎসায় ও কর্তৃপক্ষের অবহেলায় সুলতানা আক্তার (৩৫) নামে এক অন্তঃসত্ত্বা নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১০টার দিকে ভোলা সদর কালিনাথ রায়ের বাজার বন্ধন হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সুলতানা ভোলা সদর উপজেলা পূর্ব ইলিশা ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের মোঃ মিজান মিয়ার স্ত্রী।
নিহতের স্বজনরা জানায়, সুলতানা কে অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় রবিবার বিকেল চারটায় ভোলা বন্ধন হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে নিয়ে আসলে তাকে ভর্তি করানো হয়।
ভর্তি করানোর পর ক্লিনিকের কর্তব্যরত ডাক্তার সুমাইয়া আক্তার মিম পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেন সবকিছু নরমাল আছে কোন সমস্যা নেই, এখনো পাঁচ দিন সময় আছে,পরে সুলতানাকে ইনজেকশন ও স্যালাইন দেওয়া হয়। এতে কিছুক্ষণ পর অন্তঃসত্তা সুলতানার অবস্থা খারাপ হতে থাকে। অবস্থা খারাপ দেখে স্বজনরা ডাক্তার কে সিজার করানোর কথা বললে ডাক্তার সুমাইয়া আক্তার মিম বলেন রুগীর কোন সমস্যা নেই,কোন সিজার লাগবে না। এতে সময়ের সাথে সাথে অন্তঃসত্তা সুলতানার অবস্থা খারাপ হতে থাকে।
সোমবার সকালে অন্তঃসত্তা সুলতানা নরমাল ডেলিভারি জন্য ডাক্তার সুমাইয়া আক্তার মিম চেষ্টা চালায় এতে তার অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। সকাল ৯ টায় অন্তসত্ত্বা সুলতানার কন্যা সন্তান জন্ম দেয়, জন্মের কিছুক্ষণ পর মা মেয়ের দুজনে মৃত্যু হয়।
এর আগেও একাধিক অভিযোগ রয়েছে বন্ধন হেলথ কেয়ার ক্লিনিকে বিরুদ্ধে।
মৃত্যুর পর ডাক্তার ও নার্স ক্লিনিক থেকে পালিয়ে যায়। বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ডাক্তার সুমাইয়া আক্তার মিমের সাথে কথা বলা যায়নি।
এ বিষয়ে ভোলা সদর হাসপাতালের ডাঃ মনিরুজ্জামান (সিভিল সার্জন) জানান, এ বিষয়ে আমি এখনো কোনো অভিযোগ পাইনি, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দেখবো,
তদন্ত রিপোর্ট অনুযায়ী বন্ধন হেলথ কেয়ার ক্লিনিকের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
ঢাকা থেকে প্রকাশিত ৮ পাতার দৈনিক পত্রিকা
ই-পেপার