Dhaka ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সংগঠিত নারী মাদক সিন্ডিকেট। অভিযোগ রয়েছে, শিল্পী নামের এক প্রভাবশালী নারী আড়ালে থেকে এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন নারী সদস্যকে দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাজাসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। খুচরা পর্যায়ে মাদক বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হয় নারী সদস্যদের, যারা সাধারণ পথচারী কিংবা দর্শনার্থীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে সহজেই লেনদেন সম্পন্ন করে। এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সুবিধা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পীর সঙ্গে একটি পুরনো মাদক চক্রের পারিবারিক যোগসূত্র রয়েছে। তিনি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নবীর স্ত্রীর বড় বোন। অভিযোগ রয়েছে, নবীর মাদক ব্যবসার আর্থিক জোগান ও নেপথ্য পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই শিল্পী। যদিও তিনি নিজে সরাসরি সামনে আসেন না, তবুও পুরো সিন্ডিকেট তার নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয় বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। প্রতিদিন এখানে শিক্ষার্থী, পরিবার ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সক্রিয় মাদক চক্রের উপস্থিতি সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিন্ডিকেটটি সক্রিয় থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। তারা মনে করছেন, মূল হোতাকে আইনের আওতায় আনা গেলে এই চক্রটি ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

আপডেটের সময়: ০৬:৫১:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬

রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সংগঠিত নারী মাদক সিন্ডিকেট। অভিযোগ রয়েছে, শিল্পী নামের এক প্রভাবশালী নারী আড়ালে থেকে এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন নারী সদস্যকে দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাজাসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। খুচরা পর্যায়ে মাদক বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হয় নারী সদস্যদের, যারা সাধারণ পথচারী কিংবা দর্শনার্থীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে সহজেই লেনদেন সম্পন্ন করে। এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সুবিধা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পীর সঙ্গে একটি পুরনো মাদক চক্রের পারিবারিক যোগসূত্র রয়েছে। তিনি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নবীর স্ত্রীর বড় বোন। অভিযোগ রয়েছে, নবীর মাদক ব্যবসার আর্থিক জোগান ও নেপথ্য পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই শিল্পী। যদিও তিনি নিজে সরাসরি সামনে আসেন না, তবুও পুরো সিন্ডিকেট তার নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয় বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। প্রতিদিন এখানে শিক্ষার্থী, পরিবার ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সক্রিয় মাদক চক্রের উপস্থিতি সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিন্ডিকেটটি সক্রিয় থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। তারা মনে করছেন, মূল হোতাকে আইনের আওতায় আনা গেলে এই চক্রটি ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে।

এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।