Dhaka ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস চলাচল বন্ধ:দুর্ভোগে হাজারো যাত্রী

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি◾

 

হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস চলাচল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মাঝে তীব্র দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ৬টা থেকে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়কে চলাচলকারী এ বাস সার্ভিস বন্ধ রয়েছে।

 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শ্রীমঙ্গল-শেরপুর রুটের পরিবহন মালিকদের সঙ্গে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস কর্তৃপক্ষের চলমান বিরোধের জের ধরেই এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধের প্রেক্ষিতে দুই পক্ষের পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়, যার ফলে আপাতত বাস চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রতিদিন যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে গন্তব্যে।

 

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, এই সড়কে বাস ছাড়া সহজলভ্য কোনো বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সিএনজি অটোরিকশা কিংবা অন্যান্য যানবাহনে যাত্রা করতে হচ্ছে। এতে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

 

দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাত্রীরা। তারা বলেন, একটি বিরোধের কারণে হাজারো মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়া দুঃখজনক। পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে অচিরেই এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পরিবহন খাতে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত, শ্রমিক-মালিকের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা।

 

নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে প্রশাসন, পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের দায়িত্বশীল আচরণই পারে সংকট নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস চলাচল বন্ধ:দুর্ভোগে হাজারো যাত্রী

আপডেটের সময়: ০৩:৫২:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ জুন ২০২৫

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি◾

 

হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস চলাচল হঠাৎ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় যাত্রীদের মাঝে তীব্র দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে। মঙ্গলবার (১০ জুন) সকাল ৬টা থেকে হবিগঞ্জ-শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়কে চলাচলকারী এ বাস সার্ভিস বন্ধ রয়েছে।

 

বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে, শ্রীমঙ্গল-শেরপুর রুটের পরিবহন মালিকদের সঙ্গে হবিগঞ্জ-সিলেট এক্সপ্রেস বাস কর্তৃপক্ষের চলমান বিরোধের জের ধরেই এই সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। বিরোধের প্রেক্ষিতে দুই পক্ষের পরিবহন শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়, যার ফলে আপাতত বাস চলাচল সম্পূর্ণরূপে বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে বিপাকে পড়েছেন প্রতিদিন যাতায়াত করা সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে অফিসগামী, স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী এবং ব্যবসায়ীরা চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অনেককে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও কোনো যানবাহন না পেয়ে ফিরে যেতে হয়েছে গন্তব্যে।

 

ভুক্তভোগী যাত্রীরা জানান, এই সড়কে বাস ছাড়া সহজলভ্য কোনো বিকল্প পরিবহন ব্যবস্থা নেই। ফলে বাধ্য হয়ে অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সিএনজি অটোরিকশা কিংবা অন্যান্য যানবাহনে যাত্রা করতে হচ্ছে। এতে আর্থিক ও মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন সাধারণ মানুষ।

 

দ্রুত সমস্যা সমাধানে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট পরিবহন নেতাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন যাত্রীরা। তারা বলেন, একটি বিরোধের কারণে হাজারো মানুষের চলাচল ব্যাহত হওয়া দুঃখজনক। পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে অচিরেই এ সমস্যার শান্তিপূর্ণ সমাধান হওয়া প্রয়োজন।

 

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, দেশের পরিবহন খাতে স্থায়ী সমাধান নিশ্চিত করতে হলে প্রয়োজন ন্যায়ভিত্তিক সিদ্ধান্ত, শ্রমিক-মালিকের মধ্যে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও প্রশাসনের সক্রিয় ভূমিকা।

 

নিরাপদ, স্বস্তিদায়ক ও নির্বিঘ্ন যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করাই এখন সময়ের দাবি। এক্ষেত্রে প্রশাসন, পরিবহন মালিক এবং শ্রমিকদের দায়িত্বশীল আচরণই পারে সংকট নিরসনে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে।