Dhaka ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

মাধবপুরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন,প্রশাসন নীরব

মোঃআল আমিন,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন।মাধবপুর উপজেলার প্রায় ইউনিয়নেই ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বালু ব্যবসায়ীরা। ভিডিও ফুটেজ এবং পত্রিকার নিউজ ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে দিলেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয় নি।

১) মাধবপুর থানাধীন ১১ নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের অন্তর্গত মনিপুর বিলে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন হচ্ছে।
মনিপুর বিলে আবাদি জমিতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অনুমান ৫০০০ (পাঁচ হাজার) ফুট পাইপ টেনে হরিতলা সাকিনে কপার্টেক কোম্পানির মাটি ভরাটের কাজ করছে।

২) মাধবপুর থানাধীন ১১ নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের অন্তর্গত সাতপাড়িয়া বিল।
সাতপাড়িয়া বিলে আবাদি জমিতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে মাটি ও বালু কেটে শিবজয়নগর মাঝি বাড়ির নিকট জমি ভরাট করিতেছে।
৩)৫নং আন্দিউড়া ইউনিয়নের হরিশ্যামা গ্রামের উত্তর দিকে বোয়ালিয়া নদীতে স্থানীয় মেম্বার বজু মিয়া ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে।আর নদীর দুই পাড়ের ফসলি জমি গুলো ভেঙে পড়া শুরু হয়েছে। ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে অবগত করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

৪)১০ নং ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুইলঘর গ্রামের পশ্চিম দিকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে একদল প্রভাবশালী লোকজন।

৫)বুল্লা ইউনিয়নের গাগড়া বাড়ি নামক গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে এই গ্রামটিকে ঘেঁষে অনেক জায়গা নিয়ে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এবং এই বালু বিভিন্ন কোম্পানি গুলোতে দেওয়া হচ্ছে। ফলে পুরো গ্রামটি ঝুঁকিতে রয়েছে।

জানা যায় স্থানীয় ভুক্তভোগী লোকজন উপজেলা প্রশাসনকে বারবার জানিও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। অপরাধীগণ এলাকার প্রভাবশালী লোক হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। প্রতিবাদ করতে গেলে ভয়-ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে।অবাক বিষয় হলো নীরব ভূমিকায় রয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

মাধবপুরে অবৈধ ভাবে বালু উত্তোলন,প্রশাসন নীরব

আপডেটের সময়: ০১:২৮:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মার্চ ২০২৪

মোঃআল আমিন,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি: হবিগঞ্জ মাধবপুর উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে অবৈধভাবে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে স্থানীয় প্রভাবশালী লোকজন।মাধবপুর উপজেলার প্রায় ইউনিয়নেই ড্রেজার দিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছে বালু ব্যবসায়ীরা। ভিডিও ফুটেজ এবং পত্রিকার নিউজ ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে দিলেও তারা কোন পদক্ষেপ নেয় নি।

১) মাধবপুর থানাধীন ১১ নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের অন্তর্গত মনিপুর বিলে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন হচ্ছে।
মনিপুর বিলে আবাদি জমিতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে অনুমান ৫০০০ (পাঁচ হাজার) ফুট পাইপ টেনে হরিতলা সাকিনে কপার্টেক কোম্পানির মাটি ভরাটের কাজ করছে।

২) মাধবপুর থানাধীন ১১ নং বাঘাসুরা ইউনিয়নের অন্তর্গত সাতপাড়িয়া বিল।
সাতপাড়িয়া বিলে আবাদি জমিতে ড্রেজার মেশিন বসিয়ে মাটি ও বালু কেটে শিবজয়নগর মাঝি বাড়ির নিকট জমি ভরাট করিতেছে।
৩)৫নং আন্দিউড়া ইউনিয়নের হরিশ্যামা গ্রামের উত্তর দিকে বোয়ালিয়া নদীতে স্থানীয় মেম্বার বজু মিয়া ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছে।আর নদীর দুই পাড়ের ফসলি জমি গুলো ভেঙে পড়া শুরু হয়েছে। ইউএনও এবং এসিল্যান্ডকে অবগত করলেও কোন পদক্ষেপ নেয়নি।

৪)১০ নং ছাতিয়াইন ইউনিয়নের শিমুইলঘর গ্রামের পশ্চিম দিকে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করছে একদল প্রভাবশালী লোকজন।

৫)বুল্লা ইউনিয়নের গাগড়া বাড়ি নামক গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে এই গ্রামটিকে ঘেঁষে অনেক জায়গা নিয়ে ড্রেজার দিয়ে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে এবং এই বালু বিভিন্ন কোম্পানি গুলোতে দেওয়া হচ্ছে। ফলে পুরো গ্রামটি ঝুঁকিতে রয়েছে।

জানা যায় স্থানীয় ভুক্তভোগী লোকজন উপজেলা প্রশাসনকে বারবার জানিও কোন প্রতিকার পাচ্ছে না। অপরাধীগণ এলাকার প্রভাবশালী লোক হওয়ায় কেউ প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছে না। প্রতিবাদ করতে গেলে ভয়-ভীতি হুমকি প্রদর্শন করে।অবাক বিষয় হলো নীরব ভূমিকায় রয়েছেন স্থানীয় প্রশাসন।