মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট: তিস্তা ব্যারাজের পয়েন্টে তিস্তার পানিপ্রবাহ রেকর্ড করা হয়েছে ৫১ দশমিক ৯২ সেন্টিমিটার, যা বিপদসীমার ২৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। (স্বাভাবিক ৫২ দশমিক ১৫ সেন্টিমিটার)। এর আগে সকাল ৬টায় তিস্তা ব্যারাজের পয়েন্টে ৫১ দশমিক ৯৫ সেন্টিমিটার পানি ছিল, যা বিপদসীমার ২০ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়।লালমনিরহাট জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে ঘুরে দেখা যায় বিপদ সীমার ছুই ছুই পানি প্রবাহিত হচ্ছে। খুনিয়াগাছ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এ এস এম খাইরুজ্জামান মন্ডল বাদল বলেন বিপদসীমার উপর দিয়ে পানি প্রবাহিত। এবং আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো হচ্ছে খুনিয়া গাছ কালমাটি মন্ডলপাড়া খোলা হাটি কাল মাঠে পাকার মাথা বাগডোরা বাজার সংলগ্ন তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গনের সাথে সাথে স্রোতের তীব্রতা ও দেখা দিয়েছে। আমি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলেছি। এবং ভাঙ্গল কবলিত এলাকায় জিও ব্যাগের জন্য অনুরোধ করেছি। মহিষখোচা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোসাদ্দেক হোসেন চৌধুরী বলেন আমার এলাকায় কিছু কিছু জায়গায় ভাঙ্গন দেখা গিয়েছে। ভাঙ্গন কবলিত এলাকাগুলো হল বারঘড়িয়া মৌজার গরীবুল্লাহ পাড়া বারঘড়িয়ার মৌজার বাগডোরা এলাকা ্গোবর্ধন মৌজার স্পার সংলগ্ন বাদ রজব পাড়ার কিছু কিছু জায়গায় ব্লক নদীতে ভেসে গিয়ে ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে। আমার এলাকার জনগণের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। জনগণকে গরু বাছুর নিয়ে উঁচু জায়গায় থাকার পরামর্শ দেয়া হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোডের লোকজন তদারকি করছেন । এলাকার মুকুল মিয়া বলেন হঠাৎ করে বন্যার কারণে কষ্টে আছি। হঠাৎ বন্যা হওয়ার কারণে চরের মধ্যে চাষাবাদ কৃত আমার চার বিঘা জমের বাদাম
সাদেকুল ইসলাম 
















