Dhaka ০৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

চন্দনাইশে দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩
  • ৩৮৪ সময় দেখুন

মোঃআমিন উল্লাহ টিপু,চন্দনাইশ প্রতিনিধি:
সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন চন্দনাইশের প্রতিমা শিল্পীরা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হিসেবে দেবী দুর্গার রূপ সুন্দর ও আকর্ষণীয় করার কাজ চলছে।
চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি জানায়, আগামী ২০ অক্টোবর সৃষ্টি পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ২২ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ২৩ অক্টোবর মহানবমী অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ অক্টোবর বিজয়াদশমী, এই দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে পূজা শেষ হবে।

সরেজমিনে চন্দনাইশের কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ। এখন মূর্তি শুকানো ও রঙ তুলির আচরে কাজ করছেন শিল্পীরা। অনেকেই দেবী দুর্গার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন।
শিল্পী মিন্টু পাল বলেন, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শেষ মুহূর্তে দেবী দুর্গাকে রঙ তুলির মাধ্যমে সাজানোর কাজ করছি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যে শেষ করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, চন্দনাইশ পূজামণ্ডপ ছাড়াও এবার জেলা শহরে দুর্গাপূজায় ৫ মণ্ডপের প্রতিমা তৈরি করেছি। আশা করছি এতে বেশ লাভবান হবো। সংসারের যাবতীয় খরচ এর উপর নির্ভর করে। প্রায় ১০ বছর ধরে প্রতিমা তৈরির কাজ করছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে আমি প্রতিমা তৈরির কাজ করে থাকি।
এ বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, উপজেলায় এবার ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১২৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক বিষ্ণুযশা জানান, শান্তির্পূণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য পুলিশ, আনসার সদস্য প্রতিটি পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবে। যাতে করে প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হতে পারে তার জন্য আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

চন্দনাইশে দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা

আপডেটের সময়: ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ অক্টোবর ২০২৩

মোঃআমিন উল্লাহ টিপু,চন্দনাইশ প্রতিনিধি:
সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে ব্যস্ত সময় পার করছেন চন্দনাইশের প্রতিমা শিল্পীরা। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি হিসেবে দেবী দুর্গার রূপ সুন্দর ও আকর্ষণীয় করার কাজ চলছে।
চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটি জানায়, আগামী ২০ অক্টোবর সৃষ্টি পূজার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজা শুরু হবে। ২১ অক্টোবর মহাসপ্তমী, ২২ অক্টোবর মহাঅষ্টমী, ২৩ অক্টোবর মহানবমী অনুষ্ঠিত হবে। ২৪ অক্টোবর বিজয়াদশমী, এই দিন প্রতিমা বিসর্জনের মধ্যে দিয়ে পূজা শেষ হবে।

সরেজমিনে চন্দনাইশের কয়েকটি মণ্ডপ ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ। এখন মূর্তি শুকানো ও রঙ তুলির আচরে কাজ করছেন শিল্পীরা। অনেকেই দেবী দুর্গার সৌন্দর্য্য বৃদ্ধিতে বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করছেন।
শিল্পী মিন্টু পাল বলেন, প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ পর্যায়ে। শেষ মুহূর্তে দেবী দুর্গাকে রঙ তুলির মাধ্যমে সাজানোর কাজ করছি। আশা করছি কয়েক দিনের মধ্যে শেষ করতে পারবো।

তিনি আরও বলেন, চন্দনাইশ পূজামণ্ডপ ছাড়াও এবার জেলা শহরে দুর্গাপূজায় ৫ মণ্ডপের প্রতিমা তৈরি করেছি। আশা করছি এতে বেশ লাভবান হবো। সংসারের যাবতীয় খরচ এর উপর নির্ভর করে। প্রায় ১০ বছর ধরে প্রতিমা তৈরির কাজ করছি। দেশের বিভিন্ন স্থানে আমি প্রতিমা তৈরির কাজ করে থাকি।
এ বিষয়ে চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সদস্য সচিব কৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, উপজেলায় এবার ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১২৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।

চন্দনাইশ উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের আহ্বায়ক বিষ্ণুযশা জানান, শান্তির্পূণভাবে পূজা উদযাপনের জন্য পুলিশ, আনসার সদস্য প্রতিটি পূজামণ্ডপে দায়িত্ব পালন করবে। এছাড়া বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরাও দায়িত্ব পালন করবে। যাতে করে প্রতিটি পূজামণ্ডপে শান্তিপূর্ণভাবে পূজা অনুষ্ঠিত হতে পারে তার জন্য আমাদের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় নজরদারির ব্যবস্থা করা হয়েছে।