Dhaka ০৭:০৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

হোটেল মালিকের সাংবাদিককে হত্যার হুমকী

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২১০ সময় দেখুন

সাকিবুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার: মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে মানহিন গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ তোলায় সাংবাদিক সোহান রেজাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম। রবিবার দুপুরের দিকে এঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মেহেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সাংবাদিক সোহান রেজা বলেন, রবিবার দুপুরে মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে আমি ও আমার এক আত্মিয়কে নিয়ে খেতে যায়। আমারা ভাত ও গরুর মাংসর অডার করি। আমাদের নিম্ন মানের বাসি মাংস খেতে দেয়। আমরা মাংসটা পরিবর্তন করে দিতে বলি। হোটেল বয় বিষয়টা হোটেল  মালিককে জানায়। এরপর হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম রাগন্মিত হয়ে আমাদের গালিগালাজ করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে ইয়ারুল ইসলাম আমকে বিভিন্ন ভয় ভীতি  প্রদর্শন করে। এক পর্যায়ে দোকানে রান্নার খুনতি দিয়ে হত্যা করার জন্য ছুটে আসে। সে সময় হোটেলের অন্যান্য কাস্টমাররা আামাদের উদ্ধার করে সেখান থেকে বের করে দেয়।
দোকান মালিক ইয়ারুল জানান, সোহানের একটি চক্র রয়েছে। এই চক্র আমার বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংশ বিক্রির অভিযোগে নিউজ করেছিলে। আমার ব্যবসা ধ্বংশ হয়ে গিয়েছিলো । ওদের কোন ছাড় নেই।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি আমান আল বাড়ী ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষলে মেহেরপুর সদও থানায় একটি জিডি হয়েছে যার নং ৩৭। ঘটনা তদন্ত কওে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য গত ২২ সালের নভেম্বর মাসে রোগাক্রান্ত মরা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে শহরের কলেজ মোড় এলাকার জনপ্রিয় ইয়ারুল হোটেলের মালিক ইয়ারুল ইসলাম ও তার কর্মচারী মফেজ উদ্দিনকে আটক করে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর। বিষয়টি তখন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে কোন সাংবাদিক তার হোটেলে গেলে তাকে হেস্তনেস্ত করা হয়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

হোটেল মালিকের সাংবাদিককে হত্যার হুমকী

আপডেটের সময়: ১১:১৬:১০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ ডিসেম্বর ২০২৪

সাকিবুর রহমান,স্টাফ রিপোর্টার: মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে মানহিন গরুর মাংস পরিবেশনের অভিযোগ তোলায় সাংবাদিক সোহান রেজাকে হত্যার হুমকি দিয়েছে হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম। রবিবার দুপুরের দিকে এঘটনা ঘটে। এবিষয়ে মেহেরপুর সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
সাংবাদিক সোহান রেজা বলেন, রবিবার দুপুরে মেহেরপুর শহরের কলেজ মোড়ে ইয়ারুল হোটেলে আমি ও আমার এক আত্মিয়কে নিয়ে খেতে যায়। আমারা ভাত ও গরুর মাংসর অডার করি। আমাদের নিম্ন মানের বাসি মাংস খেতে দেয়। আমরা মাংসটা পরিবর্তন করে দিতে বলি। হোটেল বয় বিষয়টা হোটেল  মালিককে জানায়। এরপর হোটেল মালিক ইয়ারুল ইসলাম রাগন্মিত হয়ে আমাদের গালিগালাজ করে। আমি এর প্রতিবাদ করলে ইয়ারুল ইসলাম আমকে বিভিন্ন ভয় ভীতি  প্রদর্শন করে। এক পর্যায়ে দোকানে রান্নার খুনতি দিয়ে হত্যা করার জন্য ছুটে আসে। সে সময় হোটেলের অন্যান্য কাস্টমাররা আামাদের উদ্ধার করে সেখান থেকে বের করে দেয়।
দোকান মালিক ইয়ারুল জানান, সোহানের একটি চক্র রয়েছে। এই চক্র আমার বিরুদ্ধে মরা গরুর মাংশ বিক্রির অভিযোগে নিউজ করেছিলে। আমার ব্যবসা ধ্বংশ হয়ে গিয়েছিলো । ওদের কোন ছাড় নেই।
মেহেরপুর সদর থানার ওসি আমান আল বাড়ী ঘটনার সত্যতা স্বিকার করে বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ বিষলে মেহেরপুর সদও থানায় একটি জিডি হয়েছে যার নং ৩৭। ঘটনা তদন্ত কওে সত্যতা পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
উল্লেখ্য গত ২২ সালের নভেম্বর মাসে রোগাক্রান্ত মরা গরুর মাংস বিক্রির দায়ে শহরের কলেজ মোড় এলাকার জনপ্রিয় ইয়ারুল হোটেলের মালিক ইয়ারুল ইসলাম ও তার কর্মচারী মফেজ উদ্দিনকে আটক করে নিরাপদ খাদ্য অধিদপ্তর। বিষয়টি তখন বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশিত হয়। এরপর থেকে কোন সাংবাদিক তার হোটেলে গেলে তাকে হেস্তনেস্ত করা হয়।