Dhaka ০৬:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

লালমনিরহাট জেলা শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সাংবাদিক পুলিশ সদস্য সহ আহত ১০ জন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২০৭ সময় দেখুন

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে শ্রমিকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুই সাংবাদিক ও এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন  শ্রমিক আহত হয়েছেন।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় লালমনিরহাট  জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের দুটি গ্রুপই নিজেদের বিএনপির শ্রমিক দলের নেতা কর্মী বলে দাবী করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের পুরনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর (২৪৯৩) বহাল রাখার দাবিতে শ্রমিক নেতা বাবলুর নেতৃত্বে একটি পক্ষ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, একই সংগঠনের অন্য পক্ষ নতুন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে সমাবেশ করছিল। দুই পক্ষেই বাসটার্মিনাল নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। যখন বাবলুর নেতৃত্বে মিছিলটি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পৌঁছায়, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষে রুপ নেয়। শুরু হয়ে যায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ উভয় শ্রমিক সংগঠনের উপর মৃদু লাঠি চার্জ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশ টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য, দুই সংবাদকর্মীসহ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। ঘটনার পর পরে রিজার্ভ পুলিশ এসে উভয়কে ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ও পরিবেশ শান্ত রয়েছে। জানমালের নিরাপত্তা ও হেফাজতে পুলিশ যেকোন পরিস্থিতিতে কঠোর হতে বাধ্য হবে বলেও তিনি জানান।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

লালমনিরহাট জেলা শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সাংবাদিক পুলিশ সদস্য সহ আহত ১০ জন

আপডেটের সময়: ০৯:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে শ্রমিকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুই সাংবাদিক ও এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন  শ্রমিক আহত হয়েছেন।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় লালমনিরহাট  জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের দুটি গ্রুপই নিজেদের বিএনপির শ্রমিক দলের নেতা কর্মী বলে দাবী করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের পুরনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর (২৪৯৩) বহাল রাখার দাবিতে শ্রমিক নেতা বাবলুর নেতৃত্বে একটি পক্ষ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, একই সংগঠনের অন্য পক্ষ নতুন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে সমাবেশ করছিল। দুই পক্ষেই বাসটার্মিনাল নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। যখন বাবলুর নেতৃত্বে মিছিলটি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পৌঁছায়, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষে রুপ নেয়। শুরু হয়ে যায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ উভয় শ্রমিক সংগঠনের উপর মৃদু লাঠি চার্জ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশ টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য, দুই সংবাদকর্মীসহ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। ঘটনার পর পরে রিজার্ভ পুলিশ এসে উভয়কে ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ও পরিবেশ শান্ত রয়েছে। জানমালের নিরাপত্তা ও হেফাজতে পুলিশ যেকোন পরিস্থিতিতে কঠোর হতে বাধ্য হবে বলেও তিনি জানান।