Dhaka ১১:২১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

রৌমারীতে বাজারে কমতে শুরু করেছে বিভিন্ন শাকসবজির দাম

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৯৩ সময় দেখুন

সাহের আলী,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রৌমারী বাজারে বেড়েছে শীতকালীন বিভিন্ন প্রকার সবজির। এতে দামেও কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে এসেছে স্বস্তি। গত নভেম্বর মাসের তুলনায় চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রতিটি সবজির দাম কমপক্ষে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। নভেম্বরে যে সকল সবজি খুচরা বাজারে ৮০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে সেসব এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহ থেকে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এতে প্রতিটি সবজির দাম অনেকটা কমেছে। সামনে শীতকালীন আরও বিভিন্ন ধরনের সবজির পরিমাণ বাড়বে। এতে করে সামনের দিনগুলোতে সবজির দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন সবজি ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রৌমারী উপজেলার রৌমারী বাজার, কর্তিমারী, সায়দাবাদ, শিবেরডাঙ্গী, বড়াইকান্দি,দাঁতভাঙ্গা, টাপুরচর, বাইটকামারীসহ বাগেরহাট একতা বাজার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
রৌমারী বাজার এলাকার বাসিন্দা জেলেকা বেওয়া পেশায় তিনি একজন পাথর ভাঙ্গা শ্রমিক। সবজি কিনতে এসেছিলেন রৌমারী বাজারে। তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগেও বাজারে বিভিন্ন সবজির দাম বেশি থাকলেও এখন অনেক দাম কমেছে। বাজারে এখন প্রতি কেজি সবজির দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এমন দামেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।
এদিকে পেঁয়াজের বাজারেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে, কমেছে দামও। এক-দেড় মাস আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, এখন কেজিতে ৫০ টাকার বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখন দেশি হাইব্রিড পেঁয়াজের কেজিতে ৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। এছাড়া রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়।
বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ২৫ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা ও পটোল ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, শিম মানভেদে ৪০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাচাকলা ৪০ টাকা, হাইব্রিড লেবুর হালি ২০ এবং মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
এছাড়া প্রতি কেজি ধনেপাতা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, নতুন আলু ৭০ টাকা ও পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। আর মানভেদে ফুলকপি ৩০ টাকা, পাতাকপি প্রতি পিচ ২৫ টাকা এবং লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে প্রতিটি ৫০-৬০ টাকা। ইন্ডিয়ান আদা ১৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
এদিকে ডালের দামে দেখা গেছে স্থিতিশীল। প্রতি কেজি মসুর ডাল কিনতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বুটের ডাল ৭০ টাকা, ছোলার ডাল ১৩০ টাকা, মুগডাল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।
বাজারে মুরগির দামও অপরিবর্তিত দেখা গেছে। গত সপ্তাহের মতো প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ২৮০, লেয়ার ৩২০ ও দেশী মুরগি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এছাড়া খাসির মাংস কেজি দরে এক হাজার ও গরুর মাংস ৭০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে জিয়েল মাছ ৪০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৮৫০ টাকা, চাকা চিংড়ি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই মাছ ২০০ টাকা, টাকি মাছ ৩০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০ থেকে ২০০ টাকা ও চাষের কই ২৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
ক্রেতা মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে শীতকালীন নতুন সবজি উঠেছে। এতে করে দামও আগের তুলনায় অনেক কমেছে। প্রতিটা সবজিতেই ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। এতে করে ক্রেতাদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে।
বিক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত শীতকালীম সবজি এসেছে। দামও আগের তুলনায় সব ধরনের সবজিতে অনেকটা কমেছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

রৌমারীতে বাজারে কমতে শুরু করেছে বিভিন্ন শাকসবজির দাম

আপডেটের সময়: ০৬:৪৯:২৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৪

সাহের আলী,রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: রৌমারী বাজারে বেড়েছে শীতকালীন বিভিন্ন প্রকার সবজির। এতে দামেও কমায় সাধারণ ক্রেতাদের মাঝে এসেছে স্বস্তি। গত নভেম্বর মাসের তুলনায় চলতি ডিসেম্বর মাসের শেষ সপ্তাহে প্রতিটি সবজির দাম কমপক্ষে ২০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। নভেম্বরে যে সকল সবজি খুচরা বাজারে ৮০ থেকে ১৪০ টাকা দরে বিক্রি হয়েছে সেসব এখন ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বিক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহ থেকে বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। এতে প্রতিটি সবজির দাম অনেকটা কমেছে। সামনে শীতকালীন আরও বিভিন্ন ধরনের সবজির পরিমাণ বাড়বে। এতে করে সামনের দিনগুলোতে সবজির দাম আরও কমবে বলে মনে করছেন সবজি ব্যবসায়ীরা।
শুক্রবার (২৭ ডিসেম্বর) রৌমারী উপজেলার রৌমারী বাজার, কর্তিমারী, সায়দাবাদ, শিবেরডাঙ্গী, বড়াইকান্দি,দাঁতভাঙ্গা, টাপুরচর, বাইটকামারীসহ বাগেরহাট একতা বাজার বিভিন্ন বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা যায়।
রৌমারী বাজার এলাকার বাসিন্দা জেলেকা বেওয়া পেশায় তিনি একজন পাথর ভাঙ্গা শ্রমিক। সবজি কিনতে এসেছিলেন রৌমারী বাজারে। তিনি বলেন, ‘কিছুদিন আগেও বাজারে বিভিন্ন সবজির দাম বেশি থাকলেও এখন অনেক দাম কমেছে। বাজারে এখন প্রতি কেজি সবজির দাম ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। গত দুই সপ্তাহ ধরে এমন দামেই বিক্রি হচ্ছে কাঁচামরিচ।
এদিকে পেঁয়াজের বাজারেও স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে, কমেছে দামও। এক-দেড় মাস আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা, এখন কেজিতে ৫০ টাকার বিক্রি হচ্ছে। বাজারে এখন দেশি হাইব্রিড পেঁয়াজের কেজিতে ৩০ টাকা কমে বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ টাকা। এছাড়া রসুন বিক্রি হচ্ছে ২০০ থেকে ২২০ টাকায়।
বাজারে মানভেদে প্রতি কেজি বেগুন ২৫ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ঢেঁড়শ ৪০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, মুলা ৩০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা ও পটোল ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর প্রতি কেজি পেঁপে ৪০ টাকা, গাজর ৪০ টাকা, টমেটো ৮০ টাকা, শিম মানভেদে ৪০ টাকা ও শসা বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। কাচাকলা ৪০ টাকা, হাইব্রিড লেবুর হালি ২০ এবং মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়।
এছাড়া প্রতি কেজি ধনেপাতা ৮০ থেকে ১০০ টাকা, নতুন আলু ৭০ টাকা ও পুরাতন আলু বিক্রি হচ্ছে ৫৫-৬০ টাকায়। আর মানভেদে ফুলকপি ৩০ টাকা, পাতাকপি প্রতি পিচ ২৫ টাকা এবং লাউয়ের জন্য গুনতে হচ্ছে প্রতিটি ৫০-৬০ টাকা। ইন্ডিয়ান আদা ১৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
এদিকে ডালের দামে দেখা গেছে স্থিতিশীল। প্রতি কেজি মসুর ডাল কিনতে হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা, বুটের ডাল ৭০ টাকা, ছোলার ডাল ১৩০ টাকা, মুগডাল ১৫০ থেকে ১৬০ টাকায়।
বাজারে মুরগির দামও অপরিবর্তিত দেখা গেছে। গত সপ্তাহের মতো প্রতি কেজি ব্রয়লার ১৭০ থেকে ১৮০ এবং সোনালি জাতের মুরগি ২৮০, লেয়ার ৩২০ ও দেশী মুরগি ৫৫০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের মুরগির ডিম প্রতি হালি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। এছাড়া খাসির মাংস কেজি দরে এক হাজার ও গরুর মাংস ৭০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
মাছের বাজার ঘুরে দেখা গেছে জিয়েল মাছ ৪০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৮৫০ টাকা, চাকা চিংড়ি ৮০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া রুই মাছ ২০০ টাকা, টাকি মাছ ৩০০ টাকা, সিলভার কার্প ১৫০ থেকে ২০০ টাকা ও চাষের কই ২৬০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।
ক্রেতা মো. জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, বাজারে বেশ কিছু দিন ধরে শীতকালীন নতুন সবজি উঠেছে। এতে করে দামও আগের তুলনায় অনেক কমেছে। প্রতিটা সবজিতেই ৩০ থেকে ৪০ টাকা কমেছে। এতে করে ক্রেতাদের মধ্যেও স্বস্তি ফিরেছে।
বিক্রেতা ফরহাদ হোসেন বলেন, বাজারে পর্যাপ্ত শীতকালীম সবজি এসেছে। দামও আগের তুলনায় সব ধরনের সবজিতে অনেকটা কমেছে।