Dhaka ০৮:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

চারদিকে জেকে বসেছে শীত,ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩
  • ৩৩৪ সময় দেখুন

মোঃ শিহাব উদ্দিন,
লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতে শীতরে কাপড়ের দোকানগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের ও স্কুল কলেজের ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। শীতকে সামনে রেখে এখন গরম পোশাক কিনছেন সবাই। পা থেকে মাথা পর্যন্ত শীত নিবারণ করতে গরম কাপড় কেনায় ব্যস্ত সর্ব স্তরের মানুষ। এখানে প্রতিদিনই ভীড় করছে নিম্ন আয়ের পাশাপাশি মধ্য ও উচ্চ আয়ের মানুষজন। উচ্চ আয়ের মানুষেরা বিভিন্ন নামি-দামি মার্কেট থেকে বিভিন্ন দামি গরম কাপড় কিনতে পারলেও মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা ফুটপাতের এই দোকানগুলো। খোলা মাঠে শীতের কাপড়ের মার্কেট গুলো মূলত গরীবের শীতের মার্কেট। তবে এখানে সব ধরনের মানুষই যায় কাপর কিনতে। সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এর দোকানগুলোর বেচাকেনা ।
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে ইতিমধ্যে জমে উঠেছে গরীবের এই শীতের কাপড়ের মার্কেট। এ সব ব্যবসায়ীরা শুধু শীতকে সামনে রেখে কাপড় কেনা-বেচা করে থাকেন। বছরের অন্যান্য সময় এখানে তেমন কেনা-বেচা না হলেও শীতকে সামনে রেখে এখানকার ব্যবসা জমজমাট হয়ে ওঠে।
ঈশ্বরদী হকার দোকান গুলো ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুইপাশে মোট ৪০ থেকে ৫০টি দোকান বসেছে। শীতের তীব্রতা যত বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা তত বাড়ছে।
বিভিন্ন এলাকার শীতের কাপড় কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন- গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীত নিবারনের জন্য আমরা প্রতি বছর এখান থেকে শীতের কাপড় কিনে থাকি। এ বছরো কিনতে এসেছি। মার্কেটের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম, কাপড়ের মান গত বছরের চেয়ে এ বছর একটু ভালো। পরিবারের সবার জন্য এখান থেকেই গরম কাপড় কিনেছি।
কাপড় ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমান বলেন, গত বছর পুরাতন শীতের কাপড়ের যে বেল্ট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় আনা যেত, এ বছর সেই বেল্ট আনতে হচ্ছে ১৪ থেকে ২০ হাজার টাকায়। বেল্টের দাম বেড়ে যাওয়ায় একটু বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাড়তি টাকা লাগার কারনে ক্রেতাদেরও একটু বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

চারদিকে জেকে বসেছে শীত,ফুটপাতের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভীড়

আপডেটের সময়: ০৬:২৫:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৩

মোঃ শিহাব উদ্দিন,
লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি:
রাস্তার দুই পাশে ফুটপাতে শীতরে কাপড়ের দোকানগুলোতে গত কয়েকদিন ধরে নারী, পুরুষ, শিশু, তরুণ-তরুণীদের ও স্কুল কলেজের ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড়। শীতকে সামনে রেখে এখন গরম পোশাক কিনছেন সবাই। পা থেকে মাথা পর্যন্ত শীত নিবারণ করতে গরম কাপড় কেনায় ব্যস্ত সর্ব স্তরের মানুষ। এখানে প্রতিদিনই ভীড় করছে নিম্ন আয়ের পাশাপাশি মধ্য ও উচ্চ আয়ের মানুষজন। উচ্চ আয়ের মানুষেরা বিভিন্ন নামি-দামি মার্কেট থেকে বিভিন্ন দামি গরম কাপড় কিনতে পারলেও মধ্যবিত্ত ও নিম্ন আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা ফুটপাতের এই দোকানগুলো। খোলা মাঠে শীতের কাপড়ের মার্কেট গুলো মূলত গরীবের শীতের মার্কেট। তবে এখানে সব ধরনের মানুষই যায় কাপর কিনতে। সকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত চলে এর দোকানগুলোর বেচাকেনা ।
গত কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত ও ঘন কুয়াশার কারণে ইতিমধ্যে জমে উঠেছে গরীবের এই শীতের কাপড়ের মার্কেট। এ সব ব্যবসায়ীরা শুধু শীতকে সামনে রেখে কাপড় কেনা-বেচা করে থাকেন। বছরের অন্যান্য সময় এখানে তেমন কেনা-বেচা না হলেও শীতকে সামনে রেখে এখানকার ব্যবসা জমজমাট হয়ে ওঠে।
ঈশ্বরদী হকার দোকান গুলো ঘুরে দেখা যায়, রাস্তার দুইপাশে মোট ৪০ থেকে ৫০টি দোকান বসেছে। শীতের তীব্রতা যত বাড়ছে ক্রেতার সংখ্যা তত বাড়ছে।
বিভিন্ন এলাকার শীতের কাপড় কিনতে আসা ক্রেতারা বলেন- গত কয়েকদিনের ঘন কুয়াশা ও তীব্র শীতে জনজীবন অনেকটা বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। শীত নিবারনের জন্য আমরা প্রতি বছর এখান থেকে শীতের কাপড় কিনে থাকি। এ বছরো কিনতে এসেছি। মার্কেটের চেয়ে এখানে দাম অনেক কম, কাপড়ের মান গত বছরের চেয়ে এ বছর একটু ভালো। পরিবারের সবার জন্য এখান থেকেই গরম কাপড় কিনেছি।
কাপড় ব্যবসায়ী মোকলেছুর রহমান বলেন, গত বছর পুরাতন শীতের কাপড়ের যে বেল্ট ১০ থেকে ১৫ হাজার টাকায় আনা যেত, এ বছর সেই বেল্ট আনতে হচ্ছে ১৪ থেকে ২০ হাজার টাকায়। বেল্টের দাম বেড়ে যাওয়ায় একটু বাড়তি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। বাড়তি টাকা লাগার কারনে ক্রেতাদেরও একটু বেশি টাকা দিয়ে কিনতে হচ্ছে।