

নরসিংদী সদর উপজেলার মাধবদী থানার মহিষাশুড়া ইউনিয়নের আটপাইকাস্হ মারকাযুল উলুম মাদ্রাসা ও এতিমখানার শিক্ষক কর্তৃক শিশু ছাত্র বলাৎকারের অভিযোগ পাওয়া গেছে। ঘটনাটি ঘটেছে গত ৩ মে রবিবার আনুমানিক সন্ধার পরে। মাদ্রাসার প্রতিষ্ঠাতা মহিষাশুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মুফতি কাউসার আহাম্মেদ। ঘটনার বিবরণে জানা যায় , ঘটনার দিন সন্ধ্যার পর মাদ্রাসা চলাকালীন সময়ে উল্লেখীত মাদ্রাসার শিক্ষক ময়মনসিংহ জেলার তারা কান্দা থানার দাকোয়া গ্রামের, রতন মিয়ার ছেলে হাফেজ মিয়া। মাদ্রাসার নাজারা বিভাগ তৃতীয় শ্রেণীর শিশু ছাত্র মোঃ ওয়াফি হোসাইন রাজন -কে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে জোর পূর্বক বলাৎকার করার অভিযোগ উঠেছে।
ঘটনার তাৎক্ষণিক শিশু ছাত্রের অভিভাবক তার পিতা আঃ গাফফার মিয়া সংবাদ পেয়ে এলাকাবাসীকে সাথে নিয়ে তার ছেলেকে মাদ্রাসা থেকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় পরবর্তীতে মাদ্রাসা শিক্ষককে গণধোলা করেন এলাকাবাসী। সংবাদ পেয়ে মাধবদী থানা পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মাদ্রাসা শিক্ষিককে উদ্ধার করে মাধবদী থানা পুলিশের নিকট হস্তান্তর করেন। এর আগে এ ঘটনায় এলাকাবাসী বিক্ষোভ মিছিল করেন এবং শিক্ষকের ফাঁসির দাবিতে শ্লোগান দিতে থাকেন।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক ভাবে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং অনতিবিলম্বে এখান মাদ্রাসা নামক অনৈতিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ারও দাবি জানান এলাকাবাসী।
প্রতিবেদকের নাম 













