Dhaka ০৯:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

রৌমারীর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫
  • ১৮৬ সময় দেখুন

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা: রৌমারীর ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে সাড়ে ৫৬ টন চাল ও ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে অনেক অপকর্মের চিত্র তুলে ধরে ৩৪ মিলার, ১৯ ঠিকাদার এবং দুই জন কৃষক পৃথকভাবে মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ জন অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঠিকাদার খাদ্যশস্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত। তারা খাদ্যশস্য চলাচলসূচির মাধ্যমে চাল পরিবহন করে থাকে। কিন্তু গত ২৯ অক্টোবর ১৬ নম্বর চলাচলসূচির মাধ্যম মেসার্স এসএস এন্টারপ্রাইজ কুড়িগ্রাম থেকে ট্রাকযোগে ফেরির মাধ্যমে রৌমারী খাদ্যগুদামে পৌঁছায়। এ সময় ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পূর্ণ চাল বুঝে নিয়ে ইনভয়েসের প্রাপ্তি পূরণ না করে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ১৪.৩১০ টন চাল প্রাপ্ত অস্বীকার করেন। এ নিয়ে ঐ ঠিকাদার প্রতিবাদ করলে তিনি ১৯ জন অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঠিকাদারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ১৯ ঠিকাদার বাদী হয়ে মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করে।

একইভাবে রৌমারী উপজেলার ৩৪ জন চালকল মিলার সরকারের শর্ত অনুযায়ী প্রতি বছর খাদ্যগুদামে ধান ছাঁটাই করে চাল সরবরাহ করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ জন মিলার খাদ্যগুদামে শর্ত অনুযায়ী চাল দিয়ে থাকেন।

খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পূর্ণ চাল বুঝে নিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ১০ টন চাল অস্বীকার করেন। একইভাবে মালিহা চালকল প্রো. আবুল কাশেমের ১৩ টন, রাসেল চালকল প্রো. লিয়াকত ১১ টন, এসএস চালকল ৫.৫০ টন, অনুটালকল প্রো. আব্দুল খালেক তিন টন চাল জমা পাননি বলে জানান। একপর্যায়ে পুনরায় চাল জমা না দিলে মামলার হুমকি দেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি মিলারদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে ৩৪ জন মিলার বাদী হয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে কৃষক নাহিদ অভিযোগ করেন, আমিসহ ৩৩ জন প্রান্তিক কৃষক সরকারের নির্ধারিত মূল্যের ৩ টন হিসাবে মোট ৯৯ টন ধান খাদ্যগুদামে সম্পূর্ণভাবে জমাদান করার কথা। কিন্তু আমিসহ ১৬ জনের তিন টন ধান গুদামে জমা দিই। এ সময় তিনি ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। অথচ ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পূর্ণ ধান বুঝে নিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ১০ টন তিনি প্রাপ্ত হননি।

এ ব্যাপারে উলিপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিসবাহুল ইসলাম বলেন, তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে খুব শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রৌমারীর সরপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুগ্ধম্মদ শহিদুল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভয়া ও

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

রৌমারীর খাদ্যগুদাম কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চাল ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

আপডেটের সময়: ১১:১৪:১৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৪ জানুয়ারী ২০২৫

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) সংবাদদাতা: রৌমারীর ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহর বিরুদ্ধে সাড়ে ৫৬ টন চাল ও ৮ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে তার বিরুদ্ধে অনেক অপকর্মের চিত্র তুলে ধরে ৩৪ মিলার, ১৯ ঠিকাদার এবং দুই জন কৃষক পৃথকভাবে মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ১৯ জন অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঠিকাদার খাদ্যশস্য পরিবহন কাজে নিয়োজিত। তারা খাদ্যশস্য চলাচলসূচির মাধ্যমে চাল পরিবহন করে থাকে। কিন্তু গত ২৯ অক্টোবর ১৬ নম্বর চলাচলসূচির মাধ্যম মেসার্স এসএস এন্টারপ্রাইজ কুড়িগ্রাম থেকে ট্রাকযোগে ফেরির মাধ্যমে রৌমারী খাদ্যগুদামে পৌঁছায়। এ সময় ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পূর্ণ চাল বুঝে নিয়ে ইনভয়েসের প্রাপ্তি পূরণ না করে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ১৪.৩১০ টন চাল প্রাপ্ত অস্বীকার করেন। এ নিয়ে ঐ ঠিকাদার প্রতিবাদ করলে তিনি ১৯ জন অভ্যন্তরীণ পরিবহন ঠিকাদারের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ১৯ ঠিকাদার বাদী হয়ে মহাপরিচালকসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করে।

একইভাবে রৌমারী উপজেলার ৩৪ জন চালকল মিলার সরকারের শর্ত অনুযায়ী প্রতি বছর খাদ্যগুদামে ধান ছাঁটাই করে চাল সরবরাহ করে থাকেন। এরই ধারাবাহিকতায় ১০ জন মিলার খাদ্যগুদামে শর্ত অনুযায়ী চাল দিয়ে থাকেন।

খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পূর্ণ চাল বুঝে নিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি ১০ টন চাল অস্বীকার করেন। একইভাবে মালিহা চালকল প্রো. আবুল কাশেমের ১৩ টন, রাসেল চালকল প্রো. লিয়াকত ১১ টন, এসএস চালকল ৫.৫০ টন, অনুটালকল প্রো. আব্দুল খালেক তিন টন চাল জমা পাননি বলে জানান। একপর্যায়ে পুনরায় চাল জমা না দিলে মামলার হুমকি দেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে তিনি মিলারদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। পরে ৩৪ জন মিলার বাদী হয়ে জেলা খাদ্য কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ ও প্রত্যাহার চেয়ে লিখিত অভিযোগ করেন।

অন্যদিকে কৃষক নাহিদ অভিযোগ করেন, আমিসহ ৩৩ জন প্রান্তিক কৃষক সরকারের নির্ধারিত মূল্যের ৩ টন হিসাবে মোট ৯৯ টন ধান খাদ্যগুদামে সম্পূর্ণভাবে জমাদান করার কথা। কিন্তু আমিসহ ১৬ জনের তিন টন ধান গুদামে জমা দিই। এ সময় তিনি ১ লাখ ৭০ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহণ করেন। অথচ ভারপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুহাম্মদ শহিদুল্লাহ সম্পূর্ণ ধান বুঝে নিয়ে বিভিন্ন টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে তিনি বলেন, ১০ টন তিনি প্রাপ্ত হননি।

এ ব্যাপারে উলিপুর উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মিসবাহুল ইসলাম বলেন, তদন্তের স্বার্থে এই মুহূর্তে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে খুব শিগগিরই তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত রৌমারীর সরপ্রাপ্ত খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা (ওসিএলএসডি) মুগ্ধম্মদ শহিদুল্লাহ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ বানোয়াট, ভয়া ও