Dhaka ০২:৪৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

আধুনিক যুগে নবী বংশের এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা:আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি

ইসলামিক ডেস্ক◾

 

ইরানের পবিত্র খোমাইন শহরে জন্মগ্রহণকারী মহান ইসলামী চিন্তাবিদ সৈয়দ আলী আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিত আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি নামে। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক বা শাসকই নন, বরং একজন প্রকৃত আলিম, যিনি ইসলামের সর্বোচ্চ শিক্ষায় নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন ইরাক ও ইরানের বিখ্যাত মাদ্রাসা থেকে। ফিকাহ, তাফসির ও আকীদা বিষয়ে তার জ্ঞান এতটাই গভীর যে, ইসলামি বিশ্বে তাকে “আয়াতুল্লাহ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যা একজন মুজতাহিদ, ফকীহ বা আল্লামার সম্মানসূচক প্রতীক।

 

তিনি কেবল বিদগ্ধ পণ্ডিতই নন, বরং রাসূল সা: এর ৩৮তম বংশধর। তাঁর পবিত্র বংশসূত্র ইমাম হুসাইন (রা.) এর সন্তান ইমাম জয়নুল আবেদীন (রহ.) এর মাধ্যমে নবী পরিবারে পৌঁছায়। তার মাথার কালো পাগড়ী সেই নোবল বংশধারারই চিহ্ন বহন করে।

 

শিয়া মাজহাবের একজন শীর্ষ আলেম হয়েও তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের স্বপ্ন দেখেছেন ও তা বাস্তবায়নের জন্য বহু সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ফতোয়ার মাধ্যমে মুসলিমদের বিভাজনের মূল কিছু বিতর্কিত বিষয়ের সমাধানে তিনি রাখেন অসামান্য অবদান। তার মধ্যে রয়েছে:

 

সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা,

মহররম উপলক্ষে রক্তাক্ত মাতম পরিহার করার আহ্বান,

সব মাজহাবের মুসলমানদের একই কিবলার দিকে, একই মসজিদে নামাজ আদায়ের উৎসাহ।

এসব ফতোয়া শুধুমাত্র ফিকহি বিষয়ে দিকনির্দেশনাই নয়, বরং মুসলিম সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও ঐক্যের বাতিঘর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। শিয়া-সুন্নি বিভাজনের দুঃসহ সময়ে এই পদক্ষেপগুলো ছিল যুগান্তকারী।

 

আজও তার প্রতি লাখো মুসলমানের হৃদয়ে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সমর্থন বর্তমান, এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

আধুনিক যুগে নবী বংশের এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা:আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি

আপডেটের সময়: ০৮:০৩:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

ইসলামিক ডেস্ক◾

 

ইরানের পবিত্র খোমাইন শহরে জন্মগ্রহণকারী মহান ইসলামী চিন্তাবিদ সৈয়দ আলী আজ বিশ্বব্যাপী পরিচিত আয়াতুল্লাহ আলী খোমেনি নামে। তিনি শুধু একজন রাজনীতিক বা শাসকই নন, বরং একজন প্রকৃত আলিম, যিনি ইসলামের সর্বোচ্চ শিক্ষায় নিজেকে সমৃদ্ধ করেছেন ইরাক ও ইরানের বিখ্যাত মাদ্রাসা থেকে। ফিকাহ, তাফসির ও আকীদা বিষয়ে তার জ্ঞান এতটাই গভীর যে, ইসলামি বিশ্বে তাকে “আয়াতুল্লাহ” উপাধিতে ভূষিত করা হয়, যা একজন মুজতাহিদ, ফকীহ বা আল্লামার সম্মানসূচক প্রতীক।

 

তিনি কেবল বিদগ্ধ পণ্ডিতই নন, বরং রাসূল সা: এর ৩৮তম বংশধর। তাঁর পবিত্র বংশসূত্র ইমাম হুসাইন (রা.) এর সন্তান ইমাম জয়নুল আবেদীন (রহ.) এর মাধ্যমে নবী পরিবারে পৌঁছায়। তার মাথার কালো পাগড়ী সেই নোবল বংশধারারই চিহ্ন বহন করে।

 

শিয়া মাজহাবের একজন শীর্ষ আলেম হয়েও তিনি মুসলিম উম্মাহর ঐক্যের স্বপ্ন দেখেছেন ও তা বাস্তবায়নের জন্য বহু সাহসী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন। ফতোয়ার মাধ্যমে মুসলিমদের বিভাজনের মূল কিছু বিতর্কিত বিষয়ের সমাধানে তিনি রাখেন অসামান্য অবদান। তার মধ্যে রয়েছে:

 

সাহাবায়ে কেরামদের প্রতি অশ্রদ্ধা প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা,

মহররম উপলক্ষে রক্তাক্ত মাতম পরিহার করার আহ্বান,

সব মাজহাবের মুসলমানদের একই কিবলার দিকে, একই মসজিদে নামাজ আদায়ের উৎসাহ।

এসব ফতোয়া শুধুমাত্র ফিকহি বিষয়ে দিকনির্দেশনাই নয়, বরং মুসলিম সমাজে ভ্রাতৃত্ব, সহনশীলতা ও ঐক্যের বাতিঘর হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। শিয়া-সুন্নি বিভাজনের দুঃসহ সময়ে এই পদক্ষেপগুলো ছিল যুগান্তকারী।

 

আজও তার প্রতি লাখো মুসলমানের হৃদয়ে শ্রদ্ধা, ভালোবাসা ও সমর্থন বর্তমান, এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে বলে ধারণা করা যাচ্ছে।