
খাইরুল ইসলাম–ডেস্ক রিপোর্ট◼️
বৃহস্পতিবার দুপুর ২টায় প্রকাশিত ২০২৫ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলে দেখা গেছে, সারাদেশে ৬ লাখ ৬৬০ জন শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। ফেল করা শিক্ষার্থীদের এই বিশাল সংখ্যাটি এখন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি প্রফেসর ড. খন্দকার এহসানুল কবির জানান, এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা এবং কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল মোট ১৯ লাখ ৪ হাজার ৮৬ জন শিক্ষার্থী। এর মধ্যে মোট পাস করেছে ১৩ লাখ ৩ হাজার ৪২৬ জন। অর্থাৎ ফেল করেছে ৬ লাখ ৬৬০ জন।
বিস্তারিত পরিসংখ্যানে দেখা যায়, ফেল করা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৩ লাখ ২৪ হাজার ৭১৬ জন ছাত্র এবং ২ লাখ ৭৫ হাজার ৯৪৪ জন ছাত্রী। গত বছরগুলোর তুলনায় এ বছর পাসের হার এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে এসেছে।
বিশ্লেষকরা বলছেন, ফলাফল শুধু একটি সংখ্যা নয়; এটি একটি শিক্ষাব্যবস্থার প্রতিফলন। ফেলের এই বিশাল সংখ্যা নির্দেশ করে, শিক্ষার্থীদের মানসিক প্রস্তুতি, সিলেবাস বোঝা, পরীক্ষা পদ্ধতির পরিবর্তন, করোনা পরবর্তী পাঠদানে ঘাটতি ইত্যাদি বিষয়গুলো নিয়ে আরও গভীরভাবে ভাবনার সময় এসেছে।
শিক্ষাবিদ ও অভিভাবকদের মতে, এমন পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো, পুনর্মূল্যায়ন এবং মানসিকভাবে সমর্থন দেওয়াই হবে সবচেয়ে মানবিক ও প্রগতিশীল পদক্ষেপ।
তারা আরও বলেন, ফেল করলেই সব শেষ হয়ে যায় না। সঠিক দিকনির্দেশনা পেলে ব্যর্থতার মধ্যেও নতুন পথ খুঁজে পাওয়া সম্ভব। এবার তাই অভিভাবক ও শিক্ষক মহলের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব—এত সংখ্যক ফেল করা শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে ভেঙে পড়তে না দেওয়া।
প্রতিবেদকের নাম 
















