
বিশেষ প্রতিনিধি–নীলফামারী◼️
নীলফামারীর জলঢাকায় গভীর রাতে জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের মালামাল চুরির ঘটনা ঘটেছে। বিষয়টি জানাজানি হলে জলঢাকা থানা পুলিশ তৎপর হয়ে ঘটনার পরদিনই চুরি হওয়া ১১৮টি পাইপ ও দুটি ভ্যানগাড়ি উদ্ধার করে। ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তারের বিষয়ে তদন্ত চলছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
চুরির এ ঘটনায় জনস্বাস্থ্য প্রকৌশলী আব্দুল গফুর তালুকদারকে জড়িয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন উঠলেও, তিনি জোরালোভাবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।
তিনি বলেন, “আমি জলঢাকায় যোগদানের পর থেকে প্রতিটি কাজ সঠিকভাবে নিরীক্ষণ করে বুঝে নিয়েছি। পাইপ দিয়ে যেসব প্রকল্পের কাজ হয়েছে, তা অনেক আগেই শেষ হয়েছে এবং দপ্তর তা গ্রহণ করেছে। এরপর যদি কোনো মালামাল প্রকল্পস্থলে থাকে, তা ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের সম্পত্তি—এর দায়িত্ব বা নিয়ন্ত্রণ আমার বা দপ্তরের নয়।”
এ বিষয়ে সচেতন মহল জানান, প্রকৌশলী গফুর তালুকদারের বিরুদ্ধে তার কর্মজীবনে কোনো অনিয়ম বা দুর্নীতির অভিযোগ ছিল না। তাঁরা বলেন, “কোনো স্বার্থান্বেষী মহল উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে অপচেষ্টা চালাচ্ছে।”
প্রকৌশলী গফুর তালুকদার আরও বলেন, “যারা আমাকে বিভিন্নভাবে এই ঘটনায় জড়িয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন, আমি তাদের বিরুদ্ধে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমি জলঢাকায় জনগণের সেবা দিতে এসেছি, দুর্নীতি করতে নয়। প্রশাসনের কাছে অনুরোধ থাকবে, বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করে সত্য উদঘাটন ও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”
এদিকে প্রশাসন সূত্র জানিয়েছে, পুরো বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে এবং দোষী যেই হোক, আইনের আওতায় আনা হবে।
ঘটনার সঙ্গে প্রকৌশল অধিদপ্তরের কেউ জড়িত কিনা, কিংবা মালামাল চুরি করা চক্রের পেছনে কারা রয়েছে, তা নির্ধারণে তদন্ত কাজ চলছে বলে জানিয়েছে জলঢাকা থানা পুলিশ।
প্রতিবেদকের নাম 
















