Dhaka ০৪:০৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৬, ২১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ

চট্টগ্রাম নগর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯:১০ মিনিট থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে এই সংঘর্ষে অন্তত সাতজন জামায়াত সমর্থক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে জামায়াতপন্থীদের একটি নির্বাচনী গণসংযোগ কর্মসূচি শেষ করে আমবাগান রেলগেট এলাকায় ফেরার সময় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ধাক্কাধাক্কি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলশী থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে দমন করে।
উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। বিএনপি পক্ষের অভিযোগ, জামায়াত সমর্থকরা সংঘর্ষের একপর্যায়ে ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ’ নামে পরিচিত একটি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের কর্মীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের সময় একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি পুলিশের সরাসরি উপস্থিতির সময়ে ঘটেনি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কারা আগে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছে—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষকেই দায়ী করা হয়নি।

পুলিশ ও প্রশাসনের অবস্থান
খুলশী থানা পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের বা আটক সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও বাড়ছে। সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষ ভোটের পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে এখন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ

আপডেটের সময়: ০৯:৪২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

চট্টগ্রাম নগর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯:১০ মিনিট থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে এই সংঘর্ষে অন্তত সাতজন জামায়াত সমর্থক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে জামায়াতপন্থীদের একটি নির্বাচনী গণসংযোগ কর্মসূচি শেষ করে আমবাগান রেলগেট এলাকায় ফেরার সময় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ধাক্কাধাক্কি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলশী থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে দমন করে।
উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। বিএনপি পক্ষের অভিযোগ, জামায়াত সমর্থকরা সংঘর্ষের একপর্যায়ে ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ’ নামে পরিচিত একটি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের কর্মীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের সময় একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি পুলিশের সরাসরি উপস্থিতির সময়ে ঘটেনি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কারা আগে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছে—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষকেই দায়ী করা হয়নি।

পুলিশ ও প্রশাসনের অবস্থান
খুলশী থানা পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের বা আটক সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও বাড়ছে। সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষ ভোটের পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে এখন।