Dhaka ০৬:৪৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভেঙে দুই বিভাগে পুনর্গঠন: রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায়

মোঃ শাহারিয়ার নাজিম শুভ- ঢাকা ◾

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ১২ মে, সোমবার রাতে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে পুনর্গঠন করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে। নবগঠিত দুটি বিভাগ হচ্ছে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

নতুন এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ”রাজস্ব নীতি বিভাগ”মূলত কর আইন প্রয়োগের তদারকি, কর ব্যবস্থার মূল্যায়ন এবং কর আদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে। তবে এ বিভাগের দায়িত্বে খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি, বরং আগে থেকে বিদ্যমান কাঠামোর সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ সরাসরি প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই বিভাগে অ্যাডমিন ক্যাডার, আয়কর ক্যাডার, এবং কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশাসনিক পদগুলো পূরণ করা হবে। এটি নিশ্চিত করবে রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সমন্বয়ের উন্নতি।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এনবিআরের পুরনো জনবল এখন থেকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় থাকবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী এই জনবল থেকে কিছু অংশ রাজস্ব নীতি বিভাগে স্থানান্তর করা যাবে। একইসাথে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই সংস্কারের মাধ্যমে কর ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসাথে, প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে দীর্ঘদিনের নানা অসংগতি দূর করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবেও এই পরিবর্তনকে দেখা হচ্ছে।

এই নতুন অধ্যায় কর প্রশাসনে কতটা কার্যকর হয় তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের বাস্তবায়নের ওপর। তবে, পরিবর্তনের মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের চেষ্টা যে গতি পেয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড ভেঙে দুই বিভাগে পুনর্গঠন: রাজস্ব নীতি ও ব্যবস্থাপনায় নতুন অধ্যায়

আপডেটের সময়: ০৯:৪৫:২২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ মে ২০২৫

মোঃ শাহারিয়ার নাজিম শুভ- ঢাকা ◾

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রশাসনে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। ১২ মে, সোমবার রাতে সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ভেঙে দুটি স্বতন্ত্র বিভাগে পুনর্গঠন করে একটি নতুন অধ্যাদেশ জারি করেছে। নবগঠিত দুটি বিভাগ হচ্ছে রাজস্ব নীতি বিভাগ এবং রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ।

নতুন এই গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, ”রাজস্ব নীতি বিভাগ”মূলত কর আইন প্রয়োগের তদারকি, কর ব্যবস্থার মূল্যায়ন এবং কর আদায়ের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের দায়িত্বে থাকবে। তবে এ বিভাগের দায়িত্বে খুব বেশি পরিবর্তন আনা হয়নি, বরং আগে থেকে বিদ্যমান কাঠামোর সামান্য পরিমার্জন করা হয়েছে।

 

অন্যদিকে, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ সরাসরি প্রশাসনিক ও মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম পরিচালনা করবে। এই বিভাগে অ্যাডমিন ক্যাডার, আয়কর ক্যাডার, এবং কাস্টমস ক্যাডারের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে প্রশাসনিক পদগুলো পূরণ করা হবে। এটি নিশ্চিত করবে রাজস্ব সংগ্রহের ক্ষেত্রে দক্ষতা এবং সমন্বয়ের উন্নতি।

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, এনবিআরের পুরনো জনবল এখন থেকে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগের আওতায় থাকবে। তবে প্রয়োজন অনুযায়ী এই জনবল থেকে কিছু অংশ রাজস্ব নীতি বিভাগে স্থানান্তর করা যাবে। একইসাথে, অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ (আইআরডি) বিলুপ্ত করে তার জনবল রাজস্ব নীতি বিভাগে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এই সংস্কারের মাধ্যমে কর ব্যবস্থাপনায় আরও স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকার কার্যকর পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসাথে, প্রশাসনিক কাঠামোর মধ্যে দীর্ঘদিনের নানা অসংগতি দূর করার একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবেও এই পরিবর্তনকে দেখা হচ্ছে।

এই নতুন অধ্যায় কর প্রশাসনে কতটা কার্যকর হয় তা নির্ভর করবে ভবিষ্যতের বাস্তবায়নের ওপর। তবে, পরিবর্তনের মাধ্যমে কর ব্যবস্থায় আধুনিকায়নের চেষ্টা যে গতি পেয়েছে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।