
◼️মোঃ ইব্রাহিম মিয়া–ঝিনাইদহ
ঝিনাইদহের কাস্টমস, এক্সাইজ ও ভ্যাট অফিসে প্রতিনিয়ত ঘুষ এবং দুর্নীতির অভিযোগ উত্থাপন করেছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। জেলা ব্যবসায়ী মহলের সূত্রে জানা যায়, অফিসের সাধারণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা শহরের বিভিন্ন ব্যবসায়ীর কাছে ভয়ভীতি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা নিয়মিত নিচ্ছেন, অথচ অফিসের বাইরে তাদের কার্যক্রম সীমিত।
সরাসরি তদন্তের জন্য গত ২৬ আগস্ট সাংবাদিকরা অফিসে সরেজমিনে গিয়ে অবস্থান করেন। সেখানে দেখা যায়, অফিসের রুমগুলোতে লাউড স্পিকারে গান বাজছে, কেউ ইউটিউবে খবর দেখছেন, কেউ আড্ডা দিচ্ছেন। অফিসের কর্মীরা কার্যত তাদের সময় অপচয় করছেন।
স্থানীয়রা অভিযোগ করেন, প্রতিটি টেবিলে যাচ্ছেন একজন ‘চাকমা টাইপের লোক’, যার মাধ্যমে অফিসের কর্মকর্তাদের মধ্যে ঘুষ বণ্টন হচ্ছে। ভিডিও প্রমাণ সংগ্রহে দেখা গেছে, টাকা বড় করে ভাগ করা হচ্ছে এবং কর্মকর্তারা নানা অদ্ভুত ব্যাখ্যা দিচ্ছেন। একজন কর্মকর্তা জানান, তিনি মূলত বাজার করার টাকা নিচ্ছেন—যা ব্যবসায়ীরা এবং সাধারণ জনগণকে অপ্রত্যাশিত মনে হয়েছে।
ঝিনাইদহের ব্যবসায়ী ও সাধারণ জনগণ এই অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার বিরুদ্ধে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তারা আশা করছেন, যথাযথ তদন্ত ও ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে অফিসের স্বচ্ছতা পুনরায় প্রতিষ্ঠিত হবে এবং রাজস্ব ফাঁকি ও ঘুষবাজি রোধ করা সম্ভব হবে।
প্রতিবেদকের নাম 













