Dhaka ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ:অভিযোগ দপ্তরির বিরুদ্ধে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:২৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫
  • ১৫৫ সময় দেখুন

মোহাম্মদ সান–মেহেরপুর জেলা◼️

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া-মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী মো. তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১ জুলাই) স্কুল চলাকালীন সময়েই শিশুটিকে শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে দপ্তরী তারিক এই অমানবিক কাজ করেন।

শিশুটি বাসায় ফিরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে পুরো ঘটনা খুলে বলে তার পরিবারকে। এরপর থেকেই পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী শিশুর মা বলেন, “আমার মেয়ে বাসায় এসে সব বলেছে। এমন ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে আছি। আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”

এ ঘটনায় এলাকাবাসী দপ্তরী তারিক হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অশালীন আচরণের অভিযোগ থাকলেও বারবার পার পেয়ে গেছেন।

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আয়েজ উদ্দিন বলেন, “আমি স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি জেনেছি। শিশুটির পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় গেছে বলেও শুনেছি।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তবে ঘটনার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানি না। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

অভিযুক্ত তারিক হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে গাংনী থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। অভিযোগ সত্য হলে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এ ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল এ ঘটনায় দ্রুত বিচার ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রীকে ধ*র্ষ*ণ:অভিযোগ দপ্তরির বিরুদ্ধে

আপডেটের সময়: ০৯:২৬:৫২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৪ জুলাই ২০২৫

মোহাম্মদ সান–মেহেরপুর জেলা◼️

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার হোগলবাড়িয়া-মোহাম্মদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দপ্তরী মো. তারিক হোসেনের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া এক শিশুকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ অনুযায়ী, মঙ্গলবার (১ জুলাই) স্কুল চলাকালীন সময়েই শিশুটিকে শৌচাগারে নিয়ে গিয়ে দপ্তরী তারিক এই অমানবিক কাজ করেন।

শিশুটি বাসায় ফিরে কান্নাজড়িত কণ্ঠে পুরো ঘটনা খুলে বলে তার পরিবারকে। এরপর থেকেই পরিবার, স্থানীয় বাসিন্দা ও জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুক্তভোগী শিশুর মা বলেন, “আমার মেয়ে বাসায় এসে সব বলেছে। এমন ঘটনায় আমরা চরম আতঙ্কে আছি। আমরা বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি কিন্তু তারা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।”

এ ঘটনায় এলাকাবাসী দপ্তরী তারিক হোসেনের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেছে। স্থানীয়রা অভিযোগ করছেন, তার বিরুদ্ধে এর আগেও একাধিক অশালীন আচরণের অভিযোগ থাকলেও বারবার পার পেয়ে গেছেন।

মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. আয়েজ উদ্দিন বলেন, “আমি স্থানীয়ভাবে ঘটনাটি জেনেছি। শিশুটির পরিবার আইনগত ব্যবস্থা নিতে থানায় গেছে বলেও শুনেছি।

স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক আবুল হাশেম বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি, তবে ঘটনার নির্দিষ্ট দিনক্ষণ জানি না। বিষয়টি খতিয়ে দেখছি।

অভিযুক্ত তারিক হোসেনের মোবাইলে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে গাংনী থানার তদন্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন বলেন, “আমরা অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে। অভিযোগ সত্য হলে অভিযুক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এ ঘটনার পর থেকে বিদ্যালয়ের অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। এলাকার সচেতন মহল এ ঘটনায় দ্রুত বিচার ও প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছে, যাতে ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটে।