
মোঃ আমিনুল হক,নবীগনজ উপজেলা প্রতিনিধি হবিগঞ্জ:
শিশুদের পৃথিবীর আলো দেখাতে মা-বাবাদের পর যার ভূমিকা থাকে তিনি হলেন ধাত্রী। বর্তমান বিশ্বে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে শিশুর জন্মের হার বাড়লেও গর্ভবতী মায়েদের পছন্দ স্বাভাবিক প্রসব (নরমাল ডেলিভারি)। স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় গর্ভবতী মায়েদের সন্তান প্রসবে সহযোগিতা করায় ধাত্রী হিসেবে পরিচিত নবীগনজের আলেয়া বেগম। একশত পাঁচ বছর বয়সী ছালেমা বেগম নবীগনজ উপজেলার ৯ নং বাউসা ইউনিয়নের সুজাপুর গ্রামের তাইব উল্লার স্ত্রী। পেশায় একসময় আয়া ছিলেন। এখন বয়স্ক হওয়াতে উনার ছোট ছেলে ছাদির এর কাছে লালিত – পালিত হচ্ছেন। তবে নিজ এলাকাসহ জেলার বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষ তাকে ধাত্রী হিসেবেই বেশি চেনে। আলাপকালে জানা যায় তিনি ৭০ বছর যাবত এই মহৎ কাজ করে আসছেন। নিঃস্বার্থভাবে নেকির আশায় নরমাল ডেলিভারি কাজ করেছেন।বিনিময়ে কিছুই চাইনি। আমার কোনো ট্রেনিং ছিলনা। ছিলনা কোনো ডাক্তারি বিদ্যা। নিজেদের মতো করেই শিশুবাচ্চা ধরতে থাকি। একের পর এক নরমাল ডেলিভারি (স্বাভাবিক প্রসব করাতে থাকি। একেবারে না পারলেই শুধু হাসপাতালে নিয়ে যাই। চারিদিকে আমার এ ঘটনা সাড়া ফেলে দেয় আশ – পাশের এলাকাতে। খবর পেয়ে নবীগনজ সরকারি হাসপাতালের পরিবার পরিকল্পনা বিভাগের অফিসাররা আমাকে ধাত্রীমাতা হিসেবে প্রশিক্ষণ দেন। মনে হয় মাসে ১০- ১৫ টি শিশুর জন্ম হয় আমার হাত ধরে। সবই নরমাল ডেলিভারি। আমি কোনো হিসেব রাখিনি। সম্ভবত ১০ হাজারের উপরে নবজাতকের জন্মে হয়েছে আমার হাতে।
প্রতিবেদকের নাম 













