Dhaka ০৪:৪১ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জে উকিলপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন মাদকের অভিযোগে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ এর ৪ সদস্য বহিষ্কার ও কারাগারে নরসিংদীতে সাঁড়াশি অভিযান, ১৮ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীতে ৭০ কেজি গাঁজাসহ পিকআপ জব্দ, গ্রেফতার ১ তেজগাঁও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে ৬৫ জন গ্রেফতার ৫০ পিস ইয়াবাসহ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও আটক মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে আইইডি সদৃশ বস্তু উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় সুনামগঞ্জে যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ বগুড়ায় মাদকসহ ৬ জন গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

নরসিংদীতে সাঁড়াশি অভিযান, ১৮ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

45 / 100 SEO Score
print news

নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ৫ আগস্টের পর থেকে পরিচালিত সবচেয়ে বড় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে লাল বাহিনীর তাজুল ও বিলাই সনেট গ্রুপের সদস্যসহ মোট ১৮ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদক, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযানের প্রথম ধাপে আল আমিন, ছগির, সিফাত, আদন, জুনাইদ, মাহিদ, ইয়াদুল, আকাশ, সজিব, আল আমিন, ডালিম ও সাদেকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে আল আমিনের বিরুদ্ধে ১৫টি, ছগিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণসহ ২টি মামলা এবং একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া ইয়াদুলের বিরুদ্ধেও একটি মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

অপর একটি পৃথক অভিযানে নরসিংদী মডেল থানার বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং আবু লাল গ্রুপের সদস্য জুয়েল, হোসনা এবং সন্দেহভাজন কাউসার ও শাহরিয়ার আলম সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার সন্দেহভাজন সনেট গ্রুপের সদস্য মারুফ রহমান ও সাগরকেও আটক করা হয়। পুলিশের রেকর্ডপত্র অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত জুয়েলের বিরুদ্ধে ১৬টি এবং কাউসারের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।

অভিযানের বিষয়ে নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানান, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অপরাধীদের মূলোৎপাটনে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে পুলিশ কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই সাঁড়াশি অভিযানে জেলার শীর্ষ অপরাধ চক্রগুলোর সক্রিয় সদস্যরা আইনের আওতায় আসায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান মামলার পাশাপাশি নতুন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

সুনামগঞ্জে উকিলপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

নরসিংদীতে সাঁড়াশি অভিযান, ১৮ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার

আপডেটের সময়: ০৩:৪৪:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬
45 / 100 SEO Score
print news

নরসিংদীতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে গত ৫ আগস্টের পর থেকে পরিচালিত সবচেয়ে বড় সাঁড়াশি অভিযান চালিয়েছে জেলা পুলিশ। জেলার বিভিন্ন এলাকায় একযোগে পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে লাল বাহিনীর তাজুল ও বিলাই সনেট গ্রুপের সদস্যসহ মোট ১৮ জন শীর্ষ সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, বিস্ফোরক, মাদক, চাঁদাবাজি, ধর্ষণ ও অপহরণের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।

পুলিশ জানায়, বিশেষ অভিযানের প্রথম ধাপে আল আমিন, ছগির, সিফাত, আদন, জুনাইদ, মাহিদ, ইয়াদুল, আকাশ, সজিব, আল আমিন, ডালিম ও সাদেকসহ ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে আল আমিনের বিরুদ্ধে ১৫টি, ছগিরের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও অপহরণসহ ২টি মামলা এবং একটি গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে। এছাড়া ইয়াদুলের বিরুদ্ধেও একটি মামলার তথ্য নিশ্চিত করেছে পুলিশ।

অপর একটি পৃথক অভিযানে নরসিংদী মডেল থানার বিস্ফোরক ও হত্যাচেষ্টা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি এবং আবু লাল গ্রুপের সদস্য জুয়েল, হোসনা এবং সন্দেহভাজন কাউসার ও শাহরিয়ার আলম সম্রাটকে গ্রেপ্তার করা হয়। একই অভিযানে ডাকাতির প্রস্তুতি মামলার সন্দেহভাজন সনেট গ্রুপের সদস্য মারুফ রহমান ও সাগরকেও আটক করা হয়। পুলিশের রেকর্ডপত্র অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত জুয়েলের বিরুদ্ধে ১৬টি এবং কাউসারের বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।

অভিযানের বিষয়ে নরসিংদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এ আর এম আল মামুন জানান, জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক রাখতে এবং সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অপরাধীদের মূলোৎপাটনে এই বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। অপরাধ দমনে পুলিশ কোনো ধরনের ছাড় দেবে না।

গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত এই সাঁড়াশি অভিযানে জেলার শীর্ষ অপরাধ চক্রগুলোর সক্রিয় সদস্যরা আইনের আওতায় আসায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সচেতন নাগরিকরা। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান মামলার পাশাপাশি নতুন করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।