Dhaka ০২:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

রায়পুরায় ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে ব্যবসায়ী খুন:প্রধান আসামি গ্রেফতার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৮:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫
  • ৩৯৪ সময় দেখুন

মাদকাসক্ত আসামি শামীম

আল আমিন–নরসিংদী◼️

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে শামীম নামে এক মাদকসেবী। বুধবার (২ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে এ রক্তাক্ত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক শামীমকে গ্রেফতার করেছে রায়পুরা মডেল থানা পুলিশ।

নিহত ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী মির্জানগর ইউনিয়নের মেজেরকান্দী গ্রামের বাসিন্দা এবং হাসনাবাদ বাজারের ‘তাহসিন ইলেকট্রনিক অ্যান্ড স্যানিটারি’ দোকানের মালিক মোহাম্মদ শাহিন (৪২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহিন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। তিনি হিসাব সহকারীর কক্ষে বসে ছিলেন। ঠিক তখনই স্থানীয় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত শামীম মাতাল অবস্থায় পরিষদে প্রবেশ করে। শুরুতে উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো সে ফিরে আসে ধারালো দা হাতে এবং ঘরে ঢুকেই শাহিনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপস্থিত লোকজন শামীমকে থামাতে পারেননি। হামলায় ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কামাল হোসেনসহ আরও দুজন আহত হন।

রক্তাক্ত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহিনের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।

এদিকে এলাকাবাসীর তৎপরতায় ঘাতক শামীমকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ জানান, ‘‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শামীমকে আটক করি। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি পরিষদের ভেতরে এমন নৃশংস ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাধারণ জনগণ।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

রায়পুরায় ইউনিয়ন পরিষদ কক্ষে ব্যবসায়ী খুন:প্রধান আসামি গ্রেফতার

আপডেটের সময়: ০৮:১৫:৪৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩ জুলাই ২০২৫

আল আমিন–নরসিংদী◼️

নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলার আমিরগঞ্জ ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে এক ব্যবসায়ীকে প্রকাশ্যে কুপিয়ে হত্যা করেছে শামীম নামে এক মাদকসেবী। বুধবার (২ জুলাই) দুপুর দুইটার দিকে এ রক্তাক্ত ঘটনাটি ঘটে। ঘটনার মাত্র পাঁচ ঘণ্টার মধ্যেই ঘাতক শামীমকে গ্রেফতার করেছে রায়পুরা মডেল থানা পুলিশ।

নিহত ব্যক্তি পার্শ্ববর্তী মির্জানগর ইউনিয়নের মেজেরকান্দী গ্রামের বাসিন্দা এবং হাসনাবাদ বাজারের ‘তাহসিন ইলেকট্রনিক অ্যান্ড স্যানিটারি’ দোকানের মালিক মোহাম্মদ শাহিন (৪২)।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শাহিন ট্রেড লাইসেন্স সংক্রান্ত কাজে ইউনিয়ন পরিষদে আসেন। তিনি হিসাব সহকারীর কক্ষে বসে ছিলেন। ঠিক তখনই স্থানীয় মাদকসেবী হিসেবে পরিচিত শামীম মাতাল অবস্থায় পরিষদে প্রবেশ করে। শুরুতে উত্তেজিত হয়ে গালিগালাজ ও হুমকি দেয়। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে আবারো সে ফিরে আসে ধারালো দা হাতে এবং ঘরে ঢুকেই শাহিনকে এলোপাতাড়ি কোপাতে শুরু করে। প্রাণপণ চেষ্টা করেও উপস্থিত লোকজন শামীমকে থামাতে পারেননি। হামলায় ইউনিয়ন পরিষদের হিসাব সহকারী কামাল হোসেনসহ আরও দুজন আহত হন।

রক্তাক্ত অবস্থায় শাহিনকে উদ্ধার করে নরসিংদী সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহত শাহিনের মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাত ছিল।

এদিকে এলাকাবাসীর তৎপরতায় ঘাতক শামীমকে তাৎক্ষণিকভাবে আটক করে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

রায়পুরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আদিল মাহমুদ জানান, ‘‘ঘটনার পরপরই আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে শামীমকে আটক করি। বর্তমানে সে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। নিহতের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’’

ঘটনার পর পুরো এলাকায় আতঙ্ক ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। ইউনিয়ন পরিষদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি পরিষদের ভেতরে এমন নৃশংস ঘটনায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাধারণ জনগণ।