Dhaka ০৪:২৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৬ জুন ২০২৬, ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দেওডোবা গ্রামে অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন পিএম হামিদুর রহমান

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০১:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ১৭৭ সময় দেখুন

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। এভাবেই অসহায় দরিদ্রদের খোঁজখবর প্রতিনিয়ত রাখেন বিজয় টেলিভিশন রংপুরের বিভাগীয় প্রধান পিএম হামিদুর রহমান। শীত ও ঠান্ডার তীব্রতায় কষ্টে থাকা অসহায় মানুষদের মাঝে কষ্ট ভাগাভাগি করে নিতে নিজ এলাকায় আদিতমারীতে নিজস্ব উদ্যোগে ৫০ টি পরিবারকে নিজ হাতে ভারী মানসম্মত কম্বল বিতরণ করেন।
আজ (শুক্রবার)১৩ ডিসেম্বর জুম্মা নামাজের পর গ্রামের বাড়ি (বায়তুল মোকাররম)দেওডোবা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই কম্বল বিতরণ করা হয়। কম্বল বিতরণ করেন অত্র এলাকার অতি দরিদ্র খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের মাঝে।
পিএম হামিদুর রহমান হামিদ বলেন,

দেওডোবা,পলাশীর নিজ এলাকার মানুষ অনেক কষ্টে থাকে। তাদের প্রতিদিনেই কষ্ট ও কর্মের মাধ্যমে দিনআনুক কাজ কর্ম করে খেতে হয়।তাই তাদের মধ্যে কিছু টা কষ্ট ভাগাভাগি করে নিতে শীতবস্ত্র বিতরন আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে আনজেনা বেগম কম্বল পেয়ে খুশিতে মাতোয়ারা হয়েছেন এবং দোয়া দিয়ে বলেন বাবা আমি কম্বল পেয়ে তোমাকে দোয়া দিলাম। শীতকালটা আমার খুব ভালো ভাবে কেটে যাবে।
অন্যদিকে আমছার আলীর কাছে জানতে চাইলে,

তিনি বলেন সরকারি ভাবে কোন কিছুই ঠিক মতো পাই না। তোমরা কম্বল দিলেন জার থাকি রেহাই পামো তোমার জন্য দোয়াও করমো।
এই সময়ে (সাংবাদিক) পিএম হামিদুর রহমান হামিদ এর আমন্ত্রণে লুৎফর রহমান ৯নং দেওডোবা ওয়ার্ড সদস্য ,আসাদুজ্জামান আসাদ মসজিদ সেক্রেটারি, রফিকুল ইসলাম উদ্যোক্তা মসজিদ ক্যাশিয়ারসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে শীতের কম্বল পেয়ে গরিবরা আনন্দ উল্লাস করেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

লালমনিরহাট জেলার আদিতমারী উপজেলার দেওডোবা গ্রামে অসহায় পরিবারের মাঝে কম্বল বিতরণ করলেন পিএম হামিদুর রহমান

আপডেটের সময়: ০১:৩৯:০৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৪

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: উদয়ের পথে শুনি কার বাণী ভয় নাই ওরে ভয় নাই নিঃশেষে প্রাণ যে করিবে দান ক্ষয় নাই তার ক্ষয় নাই। এভাবেই অসহায় দরিদ্রদের খোঁজখবর প্রতিনিয়ত রাখেন বিজয় টেলিভিশন রংপুরের বিভাগীয় প্রধান পিএম হামিদুর রহমান। শীত ও ঠান্ডার তীব্রতায় কষ্টে থাকা অসহায় মানুষদের মাঝে কষ্ট ভাগাভাগি করে নিতে নিজ এলাকায় আদিতমারীতে নিজস্ব উদ্যোগে ৫০ টি পরিবারকে নিজ হাতে ভারী মানসম্মত কম্বল বিতরণ করেন।
আজ (শুক্রবার)১৩ ডিসেম্বর জুম্মা নামাজের পর গ্রামের বাড়ি (বায়তুল মোকাররম)দেওডোবা পশ্চিম পাড়া জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই কম্বল বিতরণ করা হয়। কম্বল বিতরণ করেন অত্র এলাকার অতি দরিদ্র খেটে খাওয়া অসহায় মানুষের মাঝে।
পিএম হামিদুর রহমান হামিদ বলেন,

দেওডোবা,পলাশীর নিজ এলাকার মানুষ অনেক কষ্টে থাকে। তাদের প্রতিদিনেই কষ্ট ও কর্মের মাধ্যমে দিনআনুক কাজ কর্ম করে খেতে হয়।তাই তাদের মধ্যে কিছু টা কষ্ট ভাগাভাগি করে নিতে শীতবস্ত্র বিতরন আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে আনজেনা বেগম কম্বল পেয়ে খুশিতে মাতোয়ারা হয়েছেন এবং দোয়া দিয়ে বলেন বাবা আমি কম্বল পেয়ে তোমাকে দোয়া দিলাম। শীতকালটা আমার খুব ভালো ভাবে কেটে যাবে।
অন্যদিকে আমছার আলীর কাছে জানতে চাইলে,

তিনি বলেন সরকারি ভাবে কোন কিছুই ঠিক মতো পাই না। তোমরা কম্বল দিলেন জার থাকি রেহাই পামো তোমার জন্য দোয়াও করমো।
এই সময়ে (সাংবাদিক) পিএম হামিদুর রহমান হামিদ এর আমন্ত্রণে লুৎফর রহমান ৯নং দেওডোবা ওয়ার্ড সদস্য ,আসাদুজ্জামান আসাদ মসজিদ সেক্রেটারি, রফিকুল ইসলাম উদ্যোক্তা মসজিদ ক্যাশিয়ারসহ স্থানীয় ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে শীতের কম্বল পেয়ে গরিবরা আনন্দ উল্লাস করেন।