
মেহেদি হাসান পলাশ,শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি: ফ্যাসিস্ট হাসিনা গণতন্ত্রকে টুকরো টুকরো করেছে। ৯০ ভাগ মুসলিম দেশে কোরআনের মাহফিল বন্ধ করেছিল এই ফ্যাসিস্ট হাসিনা। আজকে ফিলিস্তিন, সিরিয়ায় মুসলিমকে যেভাবে মারছে তার চেয়েও ফ্যাসিস্ট হাসিনা বেশি অত্যাচারি ছিল। আল্লাহ নিজ হাতে তার কাছ থেকে রক্ষা করেছেন। তিনি বলেন, ফ্যাসিস্ট হাসিনার সাহসে ভারত স্বাধীন বাংলাদেশের পতাকা পুড়িয়ে দিয়েছে। ভারতকে বুঝতে হবে আগের বাংলাদেশ আর নেই। এখন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা নোবেল বিজয়ী ড.মোহাম্মদ ইউনূস। তার এক ধমকেই তোমরা শেষ, তার হাত ধরেই গণতন্ত্রে ফিরবে বাংলাদেশ।
আজ ২১ ডিসেম্বর (শনিবার) উত্তরবঙ্গের ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন দ্বীনি বিদ্যাপীঠ শেরপুর শহীদিয়া আলিয়া (কামিল) মাদ্রাসার প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের সংগঠন এ্যালামনাই এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে শেরপুর-ধুনট এলাকার সাবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব গোলাম মোহাম্মাদ সিরাজ তার বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
প্রাক্তন শিক্ষার্থী, বিশিষ্ট শিল্পপতি ও শেরপুর উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মাও: দবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা: হাছানাত আলী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের (অব:) অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ড.এফ.এম.এ.এইচ তাকী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও সাবেক বিভাগীয় প্রধান ড. শেখ মুহা. আব্দুস সালাম, এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও উলিপুর আমেরিয়া সমতুল্যা মহিলা ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল হাই বারীর সঞ্চালনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কে.এম মাহবুবার রহমান হারেজ, বগুড়া জেলা শিক্ষা অফিসার রমজান আলী আকন্দ, শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি শহিদুল ইসলাম বাবলু, সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম মিন্টু, জামায়াতের বগুড়া জেলা সেক্রেটারি মানছুর রহমান, শেরপুর উপজেলার সিনিয়র নায়েবে আমির নামজুল হক, প্রাক্তান শিক্ষার্থী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, প্রাক্তন শিক্ষার্থী মহিপুর দাখিল মাদ্রসার সুপার আব্দুস সাত্তার, সাবেক ব্যাংক কর্মকর্তা ও প্রাক্তন শিক্ষার্থী মো: সালাউদ্দিন। এ্যালামনাই এ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও শেরপুর শহীদিয়া আলিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাও: মো: হাফিজুর রহমানের সার্বিক ব্যবস্থাপনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত করেন প্রাক্তন শিক্ষার্থী মাও: শরিফ উদ্দিন প্রামানিক। এর আগে সকাল ৯ টায় এক বর্নাঢ্য র্যালী শেরপুর শহর প্রদক্ষিণ করে।
শতবছরের প্রাচীণ মাদ্রাসা প্রাঙণে প্রথমবারের মতো আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানকে ঘিরে আনন্দে মেতে উঠেন মাদ্রাসার সাবেক শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন পর পরিচিত সহপাঠী-বন্ধু ও পরিচিত মুখগুলোকে কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন অনেকেই। সবাই যেন পুরণো সব স্মৃতি খুঁজে ফিরছিলেন। স্মৃতিচারণে সবাই ফিরে যান সেই উচ্ছল তারুণ্যভরা দিনগুলোতে। পাশাপাশি তাঁদের প্রিয় মাদ্রাসার উন্নয়নসহ দেশ ও জাতীর উন্নয়নে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তাঁরা।
পুনর্মিলনীর এই অনুষ্ঠানে শামিল হওয়া প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনেকেই এখন দেশ-বিদেশে নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত। তাঁরাও অনুষ্ঠানে যোগ দিতে ছুটে আসেন প্রিয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে। ফলে মাদ্রাসা প্রাঙণে অনুষ্ঠিত ওই উৎসব যেন পরিনত হয়েছিল নবীন-প্রবীন শিক্ষার্থীদের মিলনমেলায়। তাইতো পুরনো সব বন্ধু আর সহপাঠীকে পরস্পর জড়িয়ে ধরে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন। আবার অনেকে মোবাইল ক্যামেরায় নিজেদের বন্দি করেন নতুন করে।
প্রতিবেদকের নাম 













