
ইবি প্রতিনিধি:
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) সংবাদ সংগ্রহে বাধা এবং সাংবাদিকদের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে মারধরের ঘটনায় পাঁচ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
সোমবার (১৪ জুলাই) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. মনজুরুল হকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানা যায়। কমিটিকে আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে ফার্মেসি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমানকে। সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিন্নাতুল করিমকে সদস্য-সচিব করা হয়েছে। কমিটির বাকি সদস্যরা হলেন লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. লুৎফর রহমান, দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. কামরুজ্জামান এবং ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন টেকনোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মুহা. শরিফুল ইসলাম।
কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি বিষয়টি শুনেছি, তবে এখনো অফিসিয়াল চিঠি হাতে পাইনি। বর্তমানে ক্যাম্পাসের বাইরে আছি। ১৬ জুলাই ফিরে এসে সংশ্লিষ্ট সবার সঙ্গে কথা বলব। আমার নেতৃত্বে সঠিক ও নিরপেক্ষ তদন্ত হবে।’
উল্লেখ্য, গত শনিবার (১২ জুলাই) অর্থনীতি বিভাগের আন্তঃসেশন ফুটবল ম্যাচ চলাকালে সংঘর্ষের সময় সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে অর্থনীতি বিভাগের একদল শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। হামলার শিকার হন আইন ও ভূমি ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ও দৈনিক আমাদের বার্তার বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি আরিফ বিল্লাহ, একই বিভাগের শিক্ষার্থী ও দৈনিক আজকালের খবরের প্রতিনিধি রবিউল আলম এবং কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগের শিক্ষার্থী ও বার্তা২৪-এর প্রতিনিধি নুরে আলম। হামলার পর ভুক্তভোগী সাংবাদিকরা অর্থনীতি বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের আফসানা পারভীন টীনা, নাহিদ হাসান, মিনহাজ, সৌরভ দত্ত, পান্না এবং ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের সাইফুল ইসলাম, হৃদয়, রাকিব, অজিল, মশিউর রহমান রিয়নসহ ২০-২৫ জনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিয়েছেন।
প্রতিবেদকের নাম 
















