Dhaka ০৪:৫৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সুনামগঞ্জে উকিলপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন মাদকের অভিযোগে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ এর ৪ সদস্য বহিষ্কার ও কারাগারে নরসিংদীতে সাঁড়াশি অভিযান, ১৮ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীতে ৭০ কেজি গাঁজাসহ পিকআপ জব্দ, গ্রেফতার ১ তেজগাঁও পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে ৬৫ জন গ্রেফতার ৫০ পিস ইয়াবাসহ নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও আটক মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশনের নিচ থেকে আইইডি সদৃশ বস্তু উদ্ধার ও নিষ্ক্রিয় সুনামগঞ্জে যৌথ অভিযানে ইয়াবাসহ গ্রেফতার ১ বগুড়ায় মাদকসহ ৬ জন গ্রেফতার, ভ্রাম্যমাণ আদালতে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা

হরতাল অবরোধ তাল বাহানা,ড্রেন চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের দখলে

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
  • ৩২৭ সময় দেখুন
print news

বাদল আহমেদ,নবিগঞ্জ:যাই রান্না করেন, যদি স্বাদ পরিপুর্ন চান, পেঁয়াজ ছাড়া যেনো স্বাদই অপরিপুর্ন। আর যদি সেই পেয়াজ বাসায় নিয়ে আসতে বাহানা করেন,তাহলে তো সেই পরিবার কর্তার আর রক্ষা নেই! বাজারে প্রচুর মজুদ থাকার পর হরতাল অবরোধ বাহানা দিয়ে প্রতিদিন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের পকেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। প্রতিদিন শুধু পেয়াজ নয় এমন কোনো নিত্যপ্রয়োজনী জিনিষ নেই যা প্রতিদিন ১০/ থেকে ৩৫/৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ে না। এদিকে সাধারন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলেন হরতাল অবরোধ এটা একটা বাহানা, এমন কোনো ডিলার নেই এমন কোনো বড় ব্যবসায়ী নেই আপনারা তার গুদাম চেক করলেই বুঝতে পারবেন দাম কেন বাড়ে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আরও জানান আমরা এই দেশে বসবাস করি। তিন চারদিন হরতাল অবরোধ হলে মজুদ নেই অজুহাত দেখিয়ে প্রতিটা মানুষের পকেট শুন্য করে দেই। উনি এটা ও বলেন হরতাল অবরোধ হতেই পারে, তাই বলে কি ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছে আমরা সাধারন মানুষ জিম্মি হয়ে থাকবো, আরেকজন ব্যবসায়ী নাম না বলা শর্তে উনি জানান, হরতাল অবরোধ সবই সরকার নেতারা জানেন, আর তার সুযোগেই নেতারা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের সংখ্যার বিনিময়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে দিচ্ছেন। আর এটার ভাগ চামচা থেকে আমলা কামলা ও পাচ্ছে। ওই তো একদিকে সরকার সবকিছুর দাম দর ঠিক টাক করে দিলে ও ডিলার ব্যবসায়ীরা এটা মানতে নারাজ, তাহলে এই ব্যবসায়ীদের ক্ষমতার উৎস কি? যে সরকার এর আদেশ অমান্য করছে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, বাজারে গিয়ে পরে যাই আরও মহাবিপদে একদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনী জিনিষের যা দাম, মাছ তো অনেক দিন হয় চোখে দেখি নাই, যাই হোক এটার ভাগ্যের লিখন, কিন্তু বাজারের যে অবস্থা মানুষ চলাচলের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্তা করে দিয়েছে সরকার কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ড্রেন দখল করে নিয়েছে, এটা দেখার যেনো কেউ নেই, আমরা সাধারন মানুষ কিছু বলতে গেলে এসব ব্যবসায়ীরা আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। সবদিকেই ধুকে ধুকে মার খাচ্ছি আমরা সাধারন মানুষ।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

সুনামগঞ্জে উকিলপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন

হরতাল অবরোধ তাল বাহানা,ড্রেন চলে যাচ্ছে ব্যবসায়ীদের দখলে

আপডেটের সময়: ০৫:৫২:২১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর ২০২৩
print news

বাদল আহমেদ,নবিগঞ্জ:যাই রান্না করেন, যদি স্বাদ পরিপুর্ন চান, পেঁয়াজ ছাড়া যেনো স্বাদই অপরিপুর্ন। আর যদি সেই পেয়াজ বাসায় নিয়ে আসতে বাহানা করেন,তাহলে তো সেই পরিবার কর্তার আর রক্ষা নেই! বাজারে প্রচুর মজুদ থাকার পর হরতাল অবরোধ বাহানা দিয়ে প্রতিদিন খেটে খাওয়া শ্রমজীবী মানুষের পকেট থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন কোটি কোটি টাকা। প্রতিদিন শুধু পেয়াজ নয় এমন কোনো নিত্যপ্রয়োজনী জিনিষ নেই যা প্রতিদিন ১০/ থেকে ৩৫/৪০ টাকা পর্যন্ত দাম বাড়ে না। এদিকে সাধারন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা বলেন হরতাল অবরোধ এটা একটা বাহানা, এমন কোনো ডিলার নেই এমন কোনো বড় ব্যবসায়ী নেই আপনারা তার গুদাম চেক করলেই বুঝতে পারবেন দাম কেন বাড়ে। ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা আরও জানান আমরা এই দেশে বসবাস করি। তিন চারদিন হরতাল অবরোধ হলে মজুদ নেই অজুহাত দেখিয়ে প্রতিটা মানুষের পকেট শুন্য করে দেই। উনি এটা ও বলেন হরতাল অবরোধ হতেই পারে, তাই বলে কি ব্যবসায়ী ও স্থানীয় প্রতিনিধিদের কাছে আমরা সাধারন মানুষ জিম্মি হয়ে থাকবো, আরেকজন ব্যবসায়ী নাম না বলা শর্তে উনি জানান, হরতাল অবরোধ সবই সরকার নেতারা জানেন, আর তার সুযোগেই নেতারা ও ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে মোটা অংকের সংখ্যার বিনিময়ে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে দিচ্ছেন। আর এটার ভাগ চামচা থেকে আমলা কামলা ও পাচ্ছে। ওই তো একদিকে সরকার সবকিছুর দাম দর ঠিক টাক করে দিলে ও ডিলার ব্যবসায়ীরা এটা মানতে নারাজ, তাহলে এই ব্যবসায়ীদের ক্ষমতার উৎস কি? যে সরকার এর আদেশ অমান্য করছে। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করছেন, বাজারে গিয়ে পরে যাই আরও মহাবিপদে একদিকে বাজারে নিত্যপ্রয়োজনী জিনিষের যা দাম, মাছ তো অনেক দিন হয় চোখে দেখি নাই, যাই হোক এটার ভাগ্যের লিখন, কিন্তু বাজারের যে অবস্থা মানুষ চলাচলের জন্য ড্রেনেজ ব্যবস্তা করে দিয়েছে সরকার কিন্তু স্থানীয় ব্যবসায়ীরা এই ড্রেন দখল করে নিয়েছে, এটা দেখার যেনো কেউ নেই, আমরা সাধারন মানুষ কিছু বলতে গেলে এসব ব্যবসায়ীরা আমাদের সাথে দুর্ব্যবহার করে। সবদিকেই ধুকে ধুকে মার খাচ্ছি আমরা সাধারন মানুষ।