
নরসিংদীর শিবপুরে প্রথম স্বামীকে তালাক না দিয়েই দ্বিতীয় বিয়ে করার অভিযোগ উঠেছে এক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকার বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত ওই শিক্ষিকার নাম কোহিনূর আক্তার। তিনি উপজেলার ৫৪ নম্বর পাহাড় জয়নগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কর্মরত। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী প্রথম স্বামী আফতাব উদ্দিন বাদী হয়ে নরসিংদী আদালতে একটি মামলা দায়ের করেছেন।
ভুক্তভোগী আফতাব উদ্দিনের অভিযোগ, প্রায় ১৮ বছর আগে কোহিনূর আক্তারের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হয়। তাঁদের সংসারে ১৪ ও ১০ বছর বয়সী দুই সন্তান রয়েছে। গত কোরবানির ঈদের সময় স্ত্রীর আচরণ সন্দেহজনক মনে হলে পারিবারিকভাবে বিষয়টি নিষ্পত্তির চেষ্টা করা হয়। এর কিছুদিন পরই আফতাব উদ্দিন হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে একটি তালাকনামা পান। তবে আইনগত কোনো প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এই তালাকনামা পাঠানো হয়েছে বলে দাবি তাঁর।
অভিযোগে আরও বলা হয়, প্রথম স্বামীর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক আইনিভাবে শেষ হওয়ার আগেই কোহিনূর আক্তার আবুল কালাম আজাদ নামের ইতালি প্রবাসী এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেন। ওই প্রবাসীরও আগের ঘরে চারটি সন্তান রয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ভুক্তভোগী আফতাব উদ্দিন বলেন, ‘আইনগত কোনো বিচ্ছেদ ছাড়াই প্রতারণামূলকভাবে আমার স্ত্রী এই কাজ করেছেন। এতে আমি সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন হয়েছি এবং আমার সন্তানদের ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।’
ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়দের মাঝে ব্যাপক আলোচনার সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্ত ও যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
আল আমিন | নরসিংদী 




















