Dhaka ০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় প্রধান সড়কে বালির অবৈধ ব্যবসা: ভোগান্তিতে জনজীবন

ডেস্ক রিপোর্ট◾

 

মুজিবনগর খ্যাত ছোট্ট সীমান্ত জেলা মেহেরপুরের প্রাণকেন্দ্র শহরের কলেজ মোড় এখন অবৈধ বালির ব্যবসায়ীদের দখলে। এই মোড়টি জেলার অন্যতম ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। নতুন বাস টার্মিনাল না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আগত পরিবহনগুলো এখানেই যাত্রী ওঠানামা করায়। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের পাশেই দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখের সামনে প্রকাশ্যে চলছে বালির অবৈধ ব্যবসা।

 

এই মোড়ের পাশেই রয়েছে মেহেরপুর সরকারি কলেজ, কলেজ মোড় মসজিদ, পাবলিক টয়লেট, পুলিশ বক্স, দক্ষিণ পাশে রয়েছে পোস্ট অফিস, ফিলিং স্টেশন ও পৌরসভার কবরস্থান। পশ্চিম পাশে সুনামধন্য ইয়ারুল হোটেল, মিষ্টির দোকানসহ রয়েছে ছোট-বড় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এখানেই তিনতলা একটি বাড়িতে বসবাস করছেন সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, ১৪তম বিসিএস ক্যাডার মো. রফিকুল ইসলাম। তার ঘরের আসবাবপত্র প্রতিদিন ধুলাবালিতে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে।

 

অবৈধভাবে রাখা বালি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। ঢাকা ও কুষ্টিয়া থেকে আগত বাসগুলো রাস্তার উপর দাঁড় করাতে বাধ্য হচ্ছে, কারণ রাস্তার পাশ দখল করে রাখা হয়েছে বিশাল আকারের বালির স্তূপ। ফলে দেখা দিচ্ছে যানজট, হেঁটে চলাচলেও ভোগান্তি। ধুলাবালির কারণে আশেপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বসে থাকা, খাবার পরিবেশন করা কিংবা কেনাকাটার পরিবেশও বিঘ্নিত হচ্ছে।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী, বসবাসকারীরা বারবার সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ জানালেও দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান হয়নি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কিছুদিন এই ব্যবসা বন্ধ থাকলেও আবারও চালু হয়েছে বালির অবৈধ মজুত।

 

এমন অবস্থায় এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী সমাজ, সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছেন— অবিলম্বে এই অবৈধ বালির ব্যবসা বন্ধ করে কলেজ মোড় এলাকাকে ধুলামুক্ত ও যানজটমুক্ত করা হোক।

 

জনগণের দাবি, জনস্বার্থে দ্রুত পদক্ষেপ নিক প্রশাসন। এই শহর আমাদের সবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাও সবার দায়িত্ব— তবে তা কার্যকর হতে পারে প্রশাসনিক সঠিক তদারকি ছাড়া নয়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তায় প্রধান সড়কে বালির অবৈধ ব্যবসা: ভোগান্তিতে জনজীবন

আপডেটের সময়: ১০:১৬:২৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫

ডেস্ক রিপোর্ট◾

 

মুজিবনগর খ্যাত ছোট্ট সীমান্ত জেলা মেহেরপুরের প্রাণকেন্দ্র শহরের কলেজ মোড় এখন অবৈধ বালির ব্যবসায়ীদের দখলে। এই মোড়টি জেলার অন্যতম ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ স্থান। নতুন বাস টার্মিনাল না থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আগত পরিবহনগুলো এখানেই যাত্রী ওঠানামা করায়। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ মোড়ের পাশেই দিনের পর দিন প্রশাসনের চোখের সামনে প্রকাশ্যে চলছে বালির অবৈধ ব্যবসা।

 

এই মোড়ের পাশেই রয়েছে মেহেরপুর সরকারি কলেজ, কলেজ মোড় মসজিদ, পাবলিক টয়লেট, পুলিশ বক্স, দক্ষিণ পাশে রয়েছে পোস্ট অফিস, ফিলিং স্টেশন ও পৌরসভার কবরস্থান। পশ্চিম পাশে সুনামধন্য ইয়ারুল হোটেল, মিষ্টির দোকানসহ রয়েছে ছোট-বড় অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। এখানেই তিনতলা একটি বাড়িতে বসবাস করছেন সরকারি মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ, ১৪তম বিসিএস ক্যাডার মো. রফিকুল ইসলাম। তার ঘরের আসবাবপত্র প্রতিদিন ধুলাবালিতে সয়লাব হয়ে যাচ্ছে।

 

অবৈধভাবে রাখা বালি পরিবেশের ভারসাম্য নষ্ট করছে। ঢাকা ও কুষ্টিয়া থেকে আগত বাসগুলো রাস্তার উপর দাঁড় করাতে বাধ্য হচ্ছে, কারণ রাস্তার পাশ দখল করে রাখা হয়েছে বিশাল আকারের বালির স্তূপ। ফলে দেখা দিচ্ছে যানজট, হেঁটে চলাচলেও ভোগান্তি। ধুলাবালির কারণে আশেপাশের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বসে থাকা, খাবার পরিবেশন করা কিংবা কেনাকাটার পরিবেশও বিঘ্নিত হচ্ছে।

 

স্থানীয় ব্যবসায়ী, বসবাসকারীরা বারবার সড়ক ও জনপথ বিভাগ, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার বরাবর অভিযোগ জানালেও দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান হয়নি। প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কিছুদিন এই ব্যবসা বন্ধ থাকলেও আবারও চালু হয়েছে বালির অবৈধ মজুত।

 

এমন অবস্থায় এলাকাবাসী, ব্যবসায়ী সমাজ, সাংবাদিক মহল ও সচেতন নাগরিকরা প্রশাসনের কাছে জোর দাবি জানাচ্ছেন— অবিলম্বে এই অবৈধ বালির ব্যবসা বন্ধ করে কলেজ মোড় এলাকাকে ধুলামুক্ত ও যানজটমুক্ত করা হোক।

 

জনগণের দাবি, জনস্বার্থে দ্রুত পদক্ষেপ নিক প্রশাসন। এই শহর আমাদের সবার, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখাও সবার দায়িত্ব— তবে তা কার্যকর হতে পারে প্রশাসনিক সঠিক তদারকি ছাড়া নয়।