Dhaka ০৮:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ

print news

চট্টগ্রাম নগর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯:১০ মিনিট থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে এই সংঘর্ষে অন্তত সাতজন জামায়াত সমর্থক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে জামায়াতপন্থীদের একটি নির্বাচনী গণসংযোগ কর্মসূচি শেষ করে আমবাগান রেলগেট এলাকায় ফেরার সময় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ধাক্কাধাক্কি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলশী থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে দমন করে।
উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। বিএনপি পক্ষের অভিযোগ, জামায়াত সমর্থকরা সংঘর্ষের একপর্যায়ে ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ’ নামে পরিচিত একটি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের কর্মীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের সময় একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি পুলিশের সরাসরি উপস্থিতির সময়ে ঘটেনি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কারা আগে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছে—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষকেই দায়ী করা হয়নি।

পুলিশ ও প্রশাসনের অবস্থান
খুলশী থানা পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের বা আটক সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও বাড়ছে। সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষ ভোটের পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে এখন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ

আপডেটের সময়: ০৯:৪২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
print news

চট্টগ্রাম নগর খুলশী থানার আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে সরাসরি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

মঙ্গলবার (২৭ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯:১০ মিনিট থেকে ১০টা পর্যন্ত চলে এই সংঘর্ষে অন্তত সাতজন জামায়াত সমর্থক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, রাতে জামায়াতপন্থীদের একটি নির্বাচনী গণসংযোগ কর্মসূচি শেষ করে আমবাগান রেলগেট এলাকায় ফেরার সময় দুই দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ধাক্কাধাক্কি ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

সংঘর্ষে আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে চট্টগ্রাম শহরের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে খুলশী থানা পুলিশের একাধিক দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সাময়িকভাবে দমন করে।
উভয় পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে হামলার অভিযোগ তুলেছে। বিএনপি পক্ষের অভিযোগ, জামায়াত সমর্থকরা সংঘর্ষের একপর্যায়ে ‘আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি সংসদ’ নামে পরিচিত একটি কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে। অন্যদিকে জামায়াতের দাবি, তাদের কর্মীদের ওপর পূর্বপরিকল্পিতভাবে হামলা চালানো হয়েছে।

এ বিষয়ে পুলিশ জানায়, সংঘর্ষের সময় একটি কার্যালয়ে ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। তবে ঘটনাটি পুলিশের সরাসরি উপস্থিতির সময়ে ঘটেনি বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে। কারা আগে আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছে—সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো পক্ষকেই দায়ী করা হয়নি।

পুলিশ ও প্রশাসনের অবস্থান
খুলশী থানা পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি শান্তিপূর্ণ ও দায়িত্বশীল আচরণ বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা দায়ের বা আটক সংক্রান্ত আনুষ্ঠানিক তথ্য পাওয়া যায়নি।

চট্টগ্রামে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রচার-প্রচারণা জোরদার হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে উত্তেজনা ও সংঘর্ষের ঘটনাও বাড়ছে। সাম্প্রতিক এই সংঘর্ষ ভোটের পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে তুলেছে এখন।