
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলায় এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত একমাত্র আসামিকে ঘটনার ১২ ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব-৯)। গত শুক্রবার (৩১ জুলাই) রাতে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় মামলা দায়েরের পর দিবাগত রাতে সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের আদার বাজার এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত আসামির নাম আমিরুল হক (২৪)। তিনি সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিরামপুর এলাকার রমজান আলীর ছেলে।
র্যাব জানায়, ভিকটিম কিশোরী ও অভিযুক্ত আমিরুল হক উভয়েই সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার বিরামপুর এলাকার বাসিন্দা। দীর্ঘদিন ধরে অভিযুক্ত আমিরুল রাস্তাঘাটে যাতায়াতের সময় ওই কিশোরীকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে আসছিল। কিশোরী তার প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় তাকে বিভিন্ন সময় প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৪ জুলাই রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে কিশোরী প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিতে ঘর থেকে বাইরে বের হলে আগে থেকেই ওঁৎ পেতে থাকা আমিরুল তার মুখ চেপে ধরে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে কিশোরী বিষয়টি তার পরিবারকে জানালে তার ভাই বাদী হয়ে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং- ৫০, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী অধ্যাদেশ/২০২৫) এর ৯(১)।
চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার পর আসামিকে আইনের আওতায় আনতে ছায়া তদন্ত শুরু করে র্যাব-৯। এরই ধারাবাহিকতায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৯, সিপিসি-৩ (সুনামগঞ্জ ক্যাম্প)-এর একটি দল শনিবার (১ আগস্ট) রাত ১২টা ১৫ মিনিটে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার রঙ্গারচর ইউনিয়নের আদার বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় একমাত্র আসামি আমিরুল হককে গ্রেফতার করে।
র্যাব জানিয়েছে, প্রাথমিক আইনি প্রক্রিয়া শেষে গ্রেফতারকৃত আসামিকে সুনামগঞ্জ সদর মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং এ ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে র্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
এরশাদুল হক (সুনামগঞ্জ) 









