Dhaka ০২:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ ঠাকুরগাঁওয়ে ৪ লাখ টাকার অবৈধ সার জব্দ, চালক ও হেলপারকে জরিমানা দায়িত্বশীলদের দক্ষতা বাড়াতে ঠাকুরগাঁওয়ে ছাত্রশিবিরের কর্মশালা অনুষ্ঠিত সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জে অনলাইন জুয়া চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার রামুতে কাভার্ড ভ্যান-সিএনজি সংঘর্ষে উখিয়ার দুই বোনসহ নিহত ৩ হাওরের শিক্ষায় যুগান্তকারী বদল, আসছে নতুন পরিকল্পনা নরসিংদীর মাধবদী হাটে কোটি টাকার অবৈধ জাল পুড়িয়ে ধ্বংস, ৩ জনের জরিমানা কদমতলীতে আড়াই লাখ টাকার জাল নোটসহ গ্রেফতার ২ কাফরুলে যুবদল কর্মী হত্যা, ৭ জন গ্রেফতার নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

print news

রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সংগঠিত নারী মাদক সিন্ডিকেট। অভিযোগ রয়েছে, শিল্পী নামের এক প্রভাবশালী নারী আড়ালে থেকে এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন নারী সদস্যকে দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাজাসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। খুচরা পর্যায়ে মাদক বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হয় নারী সদস্যদের, যারা সাধারণ পথচারী কিংবা দর্শনার্থীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে সহজেই লেনদেন সম্পন্ন করে। এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সুবিধা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পীর সঙ্গে একটি পুরনো মাদক চক্রের পারিবারিক যোগসূত্র রয়েছে। তিনি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নবীর স্ত্রীর বড় বোন। অভিযোগ রয়েছে, নবীর মাদক ব্যবসার আর্থিক জোগান ও নেপথ্য পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই শিল্পী। যদিও তিনি নিজে সরাসরি সামনে আসেন না, তবুও পুরো সিন্ডিকেট তার নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয় বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। প্রতিদিন এখানে শিক্ষার্থী, পরিবার ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সক্রিয় মাদক চক্রের উপস্থিতি সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিন্ডিকেটটি সক্রিয় থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। তারা মনে করছেন, মূল হোতাকে আইনের আওতায় আনা গেলে এই চক্রটি ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে।

সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

চিকিৎসাকেন্দ্রে ‘স্যার’ না বলে ‘ভাই’ ডাকায় চিকিৎসাসেবা না দেওয়ার অভিযোগ

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

আপডেটের সময়: ০৮:০২:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ মার্চ ২০২৬
print news

রাজধানীর শাহবাগ থানাধীন সোহরাওয়ার্দী উদ্যান এলাকাকে ঘিরে গড়ে উঠেছে একটি সংগঠিত নারী মাদক সিন্ডিকেট। অভিযোগ রয়েছে, শিল্পী নামের এক প্রভাবশালী নারী আড়ালে থেকে এই চক্রের নেতৃত্ব দিচ্ছেন। প্রায় ১০ থেকে ১২ জন নারী সদস্যকে দিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে গাজাসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, এই সিন্ডিকেটটি অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে পরিচালিত হয়। খুচরা পর্যায়ে মাদক বিক্রির জন্য ব্যবহার করা হয় নারী সদস্যদের, যারা সাধারণ পথচারী কিংবা দর্শনার্থীদের সঙ্গে মিশে গিয়ে সহজেই লেনদেন সম্পন্ন করে। এতে করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজর এড়িয়ে কার্যক্রম চালিয়ে যেতে সুবিধা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শিল্পীর সঙ্গে একটি পুরনো মাদক চক্রের পারিবারিক যোগসূত্র রয়েছে। তিনি চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী নবীর স্ত্রীর বড় বোন। অভিযোগ রয়েছে, নবীর মাদক ব্যবসার আর্থিক জোগান ও নেপথ্য পরিচালনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন এই শিল্পী। যদিও তিনি নিজে সরাসরি সামনে আসেন না, তবুও পুরো সিন্ডিকেট তার নিয়ন্ত্রণেই পরিচালিত হয় বলে দাবি এলাকাবাসীর।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও জনবহুল স্থানে এ ধরনের কার্যক্রম চলতে থাকায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন মহল। প্রতিদিন এখানে শিক্ষার্থী, পরিবার ও বিভিন্ন বয়সী মানুষের আনাগোনা থাকে। এমন পরিস্থিতিতে একটি সক্রিয় মাদক চক্রের উপস্থিতি সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে দেখা দিচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই এই সিন্ডিকেটটি সক্রিয় থাকলেও দৃশ্যমান কোনো কঠোর ব্যবস্থা চোখে পড়েনি। তারা মনে করছেন, মূল হোতাকে আইনের আওতায় আনা গেলে এই চক্রটি ভেঙে দেওয়া সম্ভব হবে।

সচেতন মহল দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন, যাতে জনসাধারণের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করা যায়।