Dhaka ০২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

ভুরুঙ্গামারীতে মামলার কুখ্যাত ডাকাত গ্রেপ্তার

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১১:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪
  • ৪৫২ সময় দেখুন

এস এম নুরুল আমিন,
জেলা ক্রাইম রিপোর্টার,কুড়িগ্রাম:
কুখ্যাত ডাকাত শফিকুল ইসলাম সাজু।সে কখনো হোটেল বয়ের কাজ করেন, কখনো ভ্যান চালান, কখনো বা মাছ ধরেন। এসবের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জায়গায় করেন ডাকাতি। একা নয় ডাকাতি করেন সংঘবদ্ধ গ্রুপে।

গাজিপুর সদরের জেলারপাড় এক প্রবাসীর পরিবারে বাড়ির কক্ষের দরজা ভেঙ্গে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার স্ত্রী সন্তানকে বেধে ০৭/০৮ জন মিলে স্বর্নসহ মুল্যবান জিনিস লুট করে এই চক্রটি।

সেই ডাকাত দলের সদস্য শফিকুল ইসলাম সাজু। সে শুধু ডাকাতিই করে না, করে মাদক ব্যবসাও তার বিরুদ্ধে মাদক মামলাও আছে।
উক্ত দলের একাধিক ডাকাত সদস্য ধরা পরলেও কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকেরছড়া এলাকায় আত্মগোপনে ছিলো সাজু।

গাজীপুরের পুলিশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ নিশ্চিত হয় তার অবস্থান।
শত ছলচাতুরির পরে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম তাকে পাইকেরছড়া এলাকা হতে গ্রেফতার করে এবং গাজীপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

উক্ত বিষয়ে গত ১৭ই জানুয়ারী বুধবার ২০২৪ইং গাজিপুর মেট্রোপলিটনের সদর থানায় একটি ডাকাতির মামলা রুজু হয়।

কুড়িগ্রামের পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ রুহুল আমীন বলেন, গ্রেফতারকৃত কুখ্যাত ডাকাত ও মাদক কারবারি শফিকুল ইসলাম সাজু বিভিন্ন সময়ে গাজিপুরে একটি চক্রের সাথে ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে পুনরায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কখনো হোটেল বয় আবার কখনো জেলে সেজে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকত এবং তার বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় পূর্বের ১টি মাদক মামলা রয়েছে।

নিরাপদ কুড়িগ্রামের লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

ভুরুঙ্গামারীতে মামলার কুখ্যাত ডাকাত গ্রেপ্তার

আপডেটের সময়: ১১:৩৬:১০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৭ জানুয়ারী ২০২৪

এস এম নুরুল আমিন,
জেলা ক্রাইম রিপোর্টার,কুড়িগ্রাম:
কুখ্যাত ডাকাত শফিকুল ইসলাম সাজু।সে কখনো হোটেল বয়ের কাজ করেন, কখনো ভ্যান চালান, কখনো বা মাছ ধরেন। এসবের পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন জায়গায় করেন ডাকাতি। একা নয় ডাকাতি করেন সংঘবদ্ধ গ্রুপে।

গাজিপুর সদরের জেলারপাড় এক প্রবাসীর পরিবারে বাড়ির কক্ষের দরজা ভেঙ্গে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তার স্ত্রী সন্তানকে বেধে ০৭/০৮ জন মিলে স্বর্নসহ মুল্যবান জিনিস লুট করে এই চক্রটি।

সেই ডাকাত দলের সদস্য শফিকুল ইসলাম সাজু। সে শুধু ডাকাতিই করে না, করে মাদক ব্যবসাও তার বিরুদ্ধে মাদক মামলাও আছে।
উক্ত দলের একাধিক ডাকাত সদস্য ধরা পরলেও কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাইকেরছড়া এলাকায় আত্মগোপনে ছিলো সাজু।

গাজীপুরের পুলিশের প্রযুক্তিগত উৎকর্ষতার মাধ্যমে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানা পুলিশ নিশ্চিত হয় তার অবস্থান।
শত ছলচাতুরির পরে ভূরুঙ্গামারী থানার একটি চৌকস পুলিশ টিম তাকে পাইকেরছড়া এলাকা হতে গ্রেফতার করে এবং গাজীপুর পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে।

উক্ত বিষয়ে গত ১৭ই জানুয়ারী বুধবার ২০২৪ইং গাজিপুর মেট্রোপলিটনের সদর থানায় একটি ডাকাতির মামলা রুজু হয়।

কুড়িগ্রামের পুলিশের মিডিয়া মুখপাত্র (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) (পুলিশ সুপার পদে পদোন্নতি প্রাপ্ত) মোঃ রুহুল আমীন বলেন, গ্রেফতারকৃত কুখ্যাত ডাকাত ও মাদক কারবারি শফিকুল ইসলাম সাজু বিভিন্ন সময়ে গাজিপুরে একটি চক্রের সাথে ডাকাতি সহ বিভিন্ন ধরনের অপরাধ করে পুনরায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে কখনো হোটেল বয় আবার কখনো জেলে সেজে ছদ্মবেশে আত্মগোপনে থাকত এবং তার বিরুদ্ধে কুড়িগ্রামের কচাকাটা থানায় পূর্বের ১টি মাদক মামলা রয়েছে।

নিরাপদ কুড়িগ্রামের লক্ষ্যে আমাদের এই অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে, আমরা সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা প্রত্যাশা করি।