Dhaka ০৭:৪৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে তৈরিকৃত প্রতিমা দেখতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৫:৫২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩
  • ৪১৮ সময় দেখুন

তামিম বিল্লাহ, 
জেলা প্রতিনিধি,সাতক্ষীরাঃ
সাতক্ষীরা জেলায় কলারোয়া উপজেলার মুরারীকাটি উত্তর পালপাড়া শারদীয় পদুর্গাপূজা মন্দিরে লখ টাকা খরচে ১০০ কেজি চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে তৈরি হয়েছে দৃষ্টিনন্দিত সোনালী বর্ণের প্রতিমা। শিল্পীর শৈল্পিক হাতের চমৎকার ছোয়ায় তৈরি দুর্গা, কার্তিক, গণেশ, সরস্বতী, লক্ষ্মী, অসুরের প্রতিমা দেখে মনে হচ্ছে যেন সোনায় মোড়ানো। লাখ টাকার খরচে প্রতিমা তৈরিতে সময় লেগেছে এক মাস। শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হওয়ার আগেই বেড়ে চলেছে  দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়  । দর্শনার্থীরা এমন  প্রতিমা দেখে বেশ আনন্দিত।

চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে আকর্ষণীয় এই প্রতিমা তৈরির কারিগর হলেন, প্রহ্লাদ বিশ্বাস। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখে প্রতিমা তৈরির কার্যক্রম শুরু করেন। এর মধ্যে অক্টোবর মাসের ১ তারিখে মোটামুটি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পেরেছেন। চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে ১৮টি প্রতিমা তৈরি করতে সময় লেগেছে এক মাস। এখানে রং তুলির কাজ চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। 

প্রহ্লাদ বিশ্বাস আরও বলেন, কার্তিক, গনেশ সরস্বতী, লক্ষ্মী, অসুর, মহিসুরসহ ১৮টি প্রতিমা তৈরির জন্য প্রথমে বাঁশ, কাঠ, পাট ও মাটি দিয়ে কাঠামো করা হয়েছে। তৈরিকৃত কাঠামোতে নকশি পাড় বসানোর পর একটি করে বসানো হয়েছে চিনিগুঁড়া ধান। কিছু কিছু অংশে স্প্রে করা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে বিভিন্নস্থান থেকে দর্শনার্থীরা এখানে আসছেন এবং তারা এমন আকর্ষণীয় প্রতিমা দেখে প্রশংসা করছেন।

মুরারীকাটি পালপাড়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জীবন কুমার ঘোষ বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে এই মণ্ডপে তারা পূজা উদযাপন করে আসছেন। ৪০ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষ্যে ভিন্নতা রেখে চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। এর আগেও কয়েকবার ভিন্নধর্মী ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রতিমা তৈরি করে আলোচনায় এসেছিলেন তারা। এবারের তৈরিকৃত প্রতিমা দেখতে দুর্গা উৎসবের আগেই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন এবং তারা উপভোগ করছেন।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে তৈরিকৃত প্রতিমা দেখতে প্রতিনিয়ত বাড়ছে দর্শনার্থীর ভিড়

আপডেটের সময়: ০৫:৫২:২৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৪ অক্টোবর ২০২৩

তামিম বিল্লাহ, 
জেলা প্রতিনিধি,সাতক্ষীরাঃ
সাতক্ষীরা জেলায় কলারোয়া উপজেলার মুরারীকাটি উত্তর পালপাড়া শারদীয় পদুর্গাপূজা মন্দিরে লখ টাকা খরচে ১০০ কেজি চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে তৈরি হয়েছে দৃষ্টিনন্দিত সোনালী বর্ণের প্রতিমা। শিল্পীর শৈল্পিক হাতের চমৎকার ছোয়ায় তৈরি দুর্গা, কার্তিক, গণেশ, সরস্বতী, লক্ষ্মী, অসুরের প্রতিমা দেখে মনে হচ্ছে যেন সোনায় মোড়ানো। লাখ টাকার খরচে প্রতিমা তৈরিতে সময় লেগেছে এক মাস। শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হওয়ার আগেই বেড়ে চলেছে  দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়  । দর্শনার্থীরা এমন  প্রতিমা দেখে বেশ আনন্দিত।

চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে আকর্ষণীয় এই প্রতিমা তৈরির কারিগর হলেন, প্রহ্লাদ বিশ্বাস। তিনি বলেন, সেপ্টেম্বর মাসের ১ তারিখে প্রতিমা তৈরির কার্যক্রম শুরু করেন। এর মধ্যে অক্টোবর মাসের ১ তারিখে মোটামুটি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে পেরেছেন। চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে ১৮টি প্রতিমা তৈরি করতে সময় লেগেছে এক মাস। এখানে রং তুলির কাজ চলবে ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত। 

প্রহ্লাদ বিশ্বাস আরও বলেন, কার্তিক, গনেশ সরস্বতী, লক্ষ্মী, অসুর, মহিসুরসহ ১৮টি প্রতিমা তৈরির জন্য প্রথমে বাঁশ, কাঠ, পাট ও মাটি দিয়ে কাঠামো করা হয়েছে। তৈরিকৃত কাঠামোতে নকশি পাড় বসানোর পর একটি করে বসানো হয়েছে চিনিগুঁড়া ধান। কিছু কিছু অংশে স্প্রে করা হয়েছে। প্রতি মুহূর্তে বিভিন্নস্থান থেকে দর্শনার্থীরা এখানে আসছেন এবং তারা এমন আকর্ষণীয় প্রতিমা দেখে প্রশংসা করছেন।

মুরারীকাটি পালপাড়া পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি জীবন কুমার ঘোষ বলেন, ১৯৮৩ সাল থেকে এই মণ্ডপে তারা পূজা উদযাপন করে আসছেন। ৪০ বছর পূর্ণ হওয়া উপলক্ষ্যে ভিন্নতা রেখে চিনিগুঁড়া ধান দিয়ে প্রতিমা তৈরি করা হয়েছে। এর আগেও কয়েকবার ভিন্নধর্মী ও আকর্ষণীয়ভাবে প্রতিমা তৈরি করে আলোচনায় এসেছিলেন তারা। এবারের তৈরিকৃত প্রতিমা দেখতে দুর্গা উৎসবের আগেই বিভিন্ন অঞ্চল থেকে দর্শনার্থীরা আসছেন এবং তারা উপভোগ করছেন।