Dhaka ০২:৩৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

ইবির রাস্তায় কাদা-পানির রাজত্ব, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

print news

ইবি প্রতিনিধি◼️

 

বৃষ্টির কোমল ছোঁয়ায় প্রকৃতি হাসলেও, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তায় নেমে আসে দুর্ভোগের স্রোত। কাদা-পানিতে ভিজে প্রতিদিনের যাত্রা যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে এক অবিরাম সংগ্রাম। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ইবির অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনের সংযোগ সড়কে দেখা যাচ্ছে বড় বড় গর্ত ও পানি জমে থাকা জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব রাস্তায় হাঁটা তো দূরের কথা, যানবাহন চলাচলও হয়ে পড়ছে কঠিন। প্রতিদিন ক্লাস, গ্রন্থাগার বা হল থেকে বিভাগে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন কষ্ট।

বিশেষ করে সাদ্দাম হোসেন হল, শহীদ জিয়াউর রহমান হল, শহীদ আনাস হল, টিএসসিসি ও আশপাশের সড়কগুলোতে কাদা-পানি ও খানাখন্দে ভরা অবস্থা। শিক্ষার্থীরা জানান, এ অবস্থা দীর্ঘদিনের, তবে বর্ষা এলেই দুর্ভোগ বেড়ে যায় বহুগুণ।

লালন শাহ হলের শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম জানান, জিয়া হলের পাশের রাস্তাটি শত শত শিক্ষার্থীর চলাচলের প্রধান পথ। বর্ষায় এখানে হাঁটা বা ভ্যানচালিত যানবাহনে চলাও দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।

সাদ্দাম হলের আরেক শিক্ষার্থী প্রিন্স বলেন, টিএসসিসি যাওয়ার পথে রাস্তার বাঁকে যে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, তাতে বৃষ্টির পানি জমে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। বাইক, ভ্যানসহ যানবাহনের জন্য এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান।

জিয়া মোড় এলাকায় সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা যায় বলে জানিয়েছেন শহীদ জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী শোয়াইব। প্রতিদিন এই মোড় দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করলেও বর্ষাকালে কাদা ও পানিতে চলাফেরা রীতিমতো বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেসে থাকা শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পকেট গেটের রাস্তা বর্ষাকালে একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর আলোর অভাবে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে যায়।

হল নির্মাণকাজের ভারী যানবাহনের চলাচলের কারণেও রাস্তার অবস্থা আরও নাজুক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন লালন শাহ হলের শিক্ষার্থী হাসেম আলী।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অবিলম্বে রাস্তাগুলো সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম শরীফ উদ্দীন জানান, রাস্তাগুলো সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন বাজেট অনুমোদনের পরই কাজ শুরু করা হবে। বর্তমানে চলমান হল নির্মাণকাজ শেষ হলে জিয়া হলের সামনের রাস্তা ঢালাই করা হবে এবং অন্যান্য রাস্তাগুলোর সংস্কারও পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

ইবির রাস্তায় কাদা-পানির রাজত্ব, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

আপডেটের সময়: ০৯:১৪:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
print news

ইবি প্রতিনিধি◼️

 

বৃষ্টির কোমল ছোঁয়ায় প্রকৃতি হাসলেও, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাস্তায় নেমে আসে দুর্ভোগের স্রোত। কাদা-পানিতে ভিজে প্রতিদিনের যাত্রা যেন হয়ে দাঁড়িয়েছে এক অবিরাম সংগ্রাম। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে ইবির অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোর বেহাল দশায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন আবাসিক হল ও একাডেমিক ভবনের সংযোগ সড়কে দেখা যাচ্ছে বড় বড় গর্ত ও পানি জমে থাকা জলাবদ্ধতা। সামান্য বৃষ্টি হলেই এসব রাস্তায় হাঁটা তো দূরের কথা, যানবাহন চলাচলও হয়ে পড়ছে কঠিন। প্রতিদিন ক্লাস, গ্রন্থাগার বা হল থেকে বিভাগে যাওয়ার সময় শিক্ষার্থীদের পোহাতে হচ্ছে সীমাহীন কষ্ট।

বিশেষ করে সাদ্দাম হোসেন হল, শহীদ জিয়াউর রহমান হল, শহীদ আনাস হল, টিএসসিসি ও আশপাশের সড়কগুলোতে কাদা-পানি ও খানাখন্দে ভরা অবস্থা। শিক্ষার্থীরা জানান, এ অবস্থা দীর্ঘদিনের, তবে বর্ষা এলেই দুর্ভোগ বেড়ে যায় বহুগুণ।

লালন শাহ হলের শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম জানান, জিয়া হলের পাশের রাস্তাটি শত শত শিক্ষার্থীর চলাচলের প্রধান পথ। বর্ষায় এখানে হাঁটা বা ভ্যানচালিত যানবাহনে চলাও দুঃসাধ্য হয়ে পড়ে।

সাদ্দাম হলের আরেক শিক্ষার্থী প্রিন্স বলেন, টিএসসিসি যাওয়ার পথে রাস্তার বাঁকে যে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে, তাতে বৃষ্টির পানি জমে ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে। বাইক, ভ্যানসহ যানবাহনের জন্য এটি একটি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান।

জিয়া মোড় এলাকায় সবচেয়ে বেশি জলাবদ্ধতা দেখা যায় বলে জানিয়েছেন শহীদ জিয়াউর রহমান হলের শিক্ষার্থী শোয়াইব। প্রতিদিন এই মোড় দিয়ে শত শত শিক্ষার্থী যাতায়াত করলেও বর্ষাকালে কাদা ও পানিতে চলাফেরা রীতিমতো বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের মেসে থাকা শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস জানান, শাহ আজিজুর রহমান হল সংলগ্ন পকেট গেটের রাস্তা বর্ষাকালে একেবারে অনুপযোগী হয়ে পড়ে। সন্ধ্যার পর আলোর অভাবে চলাচল আরও বিপজ্জনক হয়ে যায়।

হল নির্মাণকাজের ভারী যানবাহনের চলাচলের কারণেও রাস্তার অবস্থা আরও নাজুক হয়ে উঠেছে বলে অভিযোগ করেছেন লালন শাহ হলের শিক্ষার্থী হাসেম আলী।

শিক্ষার্থীদের দাবি, অবিলম্বে রাস্তাগুলো সংস্কার করে নিরাপদ চলাচলের পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) এ কে এম শরীফ উদ্দীন জানান, রাস্তাগুলো সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে। নতুন বাজেট অনুমোদনের পরই কাজ শুরু করা হবে। বর্তমানে চলমান হল নির্মাণকাজ শেষ হলে জিয়া হলের সামনের রাস্তা ঢালাই করা হবে এবং অন্যান্য রাস্তাগুলোর সংস্কারও পর্যায়ক্রমে সম্পন্ন করা হবে।