Dhaka ১১:০৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ ইউপি নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় আলোচনায় আব্দুল মমিন সুনামগঞ্জে শোভাযাত্রা ও পথসভার মধ্য দিয়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের ৪৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত নরসিংদীতে পুলিশের বিশেষ অভিযান: ইয়াবাসহ গ্রেপ্তার ২৯ নরসিংদীর শিবপুর ও সদরে তিতাসের অভিযান: ১৮টি অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন নরসিংদীতে ডিবি পুলিশের ঝটিকা অভিযান: অপহৃত ভিকটিম উদ্ধারসহ বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ নরসিংদীতে তীব্র গ্যাস সংকট: জ্বলছে না রান্নার চুলা, দুর্ভোগে হাজারো পরিবার সুনামগঞ্জের বিশ্বম্ভরপুরে জমি থেকে ৪০১ বোতল বিদেশি মদ উদ্ধার করেছে র‍্যাব-৯ কুড়িগ্রামে নিখোঁজের তিন সপ্তাহেও মেলেনি ১০ বছরের শিশু লতিফের সন্ধান সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে শিশুদের ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে যুবক খুন, আহত ৫

এস-২টি সেচ প্রকল্পে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ, ভেঙে পড়ছে কোটি টাকার অবকাঠামো

print news

বিশেষ প্রতিনিধি◼️

 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের আওতাভুক্ত এস-২টি সেচ প্রকল্পটি উদ্বোধনের কয়েক মাস যেতে না যেতেই ভাঙনের মুখে পড়েছে। প্রায় ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই প্রকল্পটি ২০২২ সালে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অসীম সিং। তবে শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, দুর্নীতি ও তদারকির অভাবে প্রকল্পটি কার্যকারিতা হারাতে বসেছে।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, সেচ ক্যানেলটি এখন কৃষিজ জল সরবরাহের বদলে পরিণত হয়েছে ময়লা ও আবর্জনার ড্রেনে। বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল, অনেক জায়গা নিজে থেকেই ভেঙে পড়ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এটি এখন আর কোনো কাজে আসছে না বরং স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে শুরুতে ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী আসপাদুল্লাহ ও উপসহকারী প্রকৌশলী রকি ইসলাম। স্থানীয়দের দাবি, তাদের সময়েই কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতি সবচেয়ে বেশি হয়েছিল। পরে তারা বদলি হয়ে গেলে কাঁকড়া চৌপথি এলাকা থেকে দায়িত্ব নেন উপসহকারী প্রকৌশলী হাসেম আলী, যিনি পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরীর নির্দেশনায় সিডিউল অনুযায়ী বাকি কাজ বুঝে নেন।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রকল্পের এখনও দুই থেকে তিন কিলোমিটার কাজ বাকি রয়েছে। আর সচেতন মহলের ভাষ্য অনুযায়ী, শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে পুরো প্রকল্পটির ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

এলাকার কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে কৃষকদের সুবিধার্থে সেচ প্রকল্প নির্মাণ করলেও বাস্তবে তারা এর সুফল পাচ্ছেন না। বরং ভুল পরিকল্পনা ও অনিয়মের কারণে কৃষিজ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী ও কৃষক সমাজ।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

দেশে প্রথম নৌযান শুমারি: সর্বাধিক ইঞ্জিনচালিত নৌযান নিয়ে শীর্ষে সুনামগঞ্জ

এস-২টি সেচ প্রকল্পে নিম্নমানের কাজের অভিযোগ, ভেঙে পড়ছে কোটি টাকার অবকাঠামো

আপডেটের সময়: ০৯:২৬:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
print news

বিশেষ প্রতিনিধি◼️

 

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ডালিয়া ডিভিশনের আওতাভুক্ত এস-২টি সেচ প্রকল্পটি উদ্বোধনের কয়েক মাস যেতে না যেতেই ভাঙনের মুখে পড়েছে। প্রায় ৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের এই প্রকল্পটি ২০২২ সালে পাঁচ কোটি টাকা ব্যয়ে বাস্তবায়ন শুরু করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান অসীম সিং। তবে শুরু থেকেই নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার, দুর্নীতি ও তদারকির অভাবে প্রকল্পটি কার্যকারিতা হারাতে বসেছে।

মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী, সেচ ক্যানেলটি এখন কৃষিজ জল সরবরাহের বদলে পরিণত হয়েছে ময়লা ও আবর্জনার ড্রেনে। বিভিন্ন স্থানে দেখা দিয়েছে ফাটল, অনেক জায়গা নিজে থেকেই ভেঙে পড়ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, এটি এখন আর কোনো কাজে আসছে না বরং স্থায়ী ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

প্রকল্পটির তত্ত্বাবধানে শুরুতে ছিলেন নির্বাহী প্রকৌশলী আসপাদুল্লাহ ও উপসহকারী প্রকৌশলী রকি ইসলাম। স্থানীয়দের দাবি, তাদের সময়েই কাজের অনিয়ম ও দুর্নীতি সবচেয়ে বেশি হয়েছিল। পরে তারা বদলি হয়ে গেলে কাঁকড়া চৌপথি এলাকা থেকে দায়িত্ব নেন উপসহকারী প্রকৌশলী হাসেম আলী, যিনি পরবর্তীতে নির্বাহী প্রকৌশলী অমিতাভ চৌধুরীর নির্দেশনায় সিডিউল অনুযায়ী বাকি কাজ বুঝে নেন।

তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়, প্রকল্পের এখনও দুই থেকে তিন কিলোমিটার কাজ বাকি রয়েছে। আর সচেতন মহলের ভাষ্য অনুযায়ী, শুরু থেকেই নিম্নমানের নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহারের কারণে ভবিষ্যতে পুরো প্রকল্পটির ভেঙে পড়ার শঙ্কা রয়েছে।

এলাকার কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে কৃষকদের সুবিধার্থে সেচ প্রকল্প নির্মাণ করলেও বাস্তবে তারা এর সুফল পাচ্ছেন না। বরং ভুল পরিকল্পনা ও অনিয়মের কারণে কৃষিজ উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত তদন্ত ও কার্যকর পদক্ষেপ দাবি করেছেন এলাকাবাসী ও কৃষক সমাজ।