
মেহেদী হাসান শুভ্র– সিরাজগঞ্জ জেলা◼️
সিরাজগঞ্জ সদর ও তাড়াশ উপজেলায় এক দিনে দুটি মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দুটি মৃত্যুই রহস্যজনক হওয়ায় প্রশ্ন উঠছে—এ কি নিছক দুর্ঘটনা, নাকি রয়েছে পরিকল্পিত হত্যার ছায়া?
সোমবার (১৪ জুলাই) সকালে প্রথম মরদেহটি উদ্ধার করা হয় সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ রেলওয়ে স্টেশন সংলগ্ন মহাসড়কের পাশে একটি ড্রেন থেকে। আনুমানিক ৩৫ বছর বয়সী এই অজ্ঞাত যুবকের শরীরে ছিল আঘাতের চিহ্ন। মাথা ও পায়ে স্পষ্ট জখম থাকায় প্রাথমিকভাবে সন্দেহ করা হচ্ছে, তাকে হয়তো হত্যা করে ড্রেনে ফেলে দেওয়া হয়েছে।
সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম বলেন, “মরদেহটি ড্রেনের ভিতরে পড়ে ছিল। ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার করে শহীদ এম. মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে—এটি সড়ক দুর্ঘটনা, নাকি অন্য কিছু।
অন্যদিকে, একই দিনে সকালে তাড়াশ উপজেলার ঈশ্বরপুর গ্রামে নিজ ঘর থেকে ২০ বছর বয়সী যুবক মো: শান্তর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। তিনি একজন নরসুন্দর হিসেবে স্থানীয়ভাবে পরিচিত ছিলেন। পরিবারের সদস্যরা এ ঘটনায় হতবিহ্বল, তবে কেউ কিছু বুঝে উঠতে পারছেন না।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, “শান্তর মরদেহ ঘরের ভিতর থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মৃত্যুর সঠিক কারণ জানতে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এক দিনে দুই যুবকের রহস্যজনক মৃত্যু এলাকায় উদ্বেগ তৈরি করেছে। স্থানীয়দের অনেকেই বলছেন, “এমন ঘটনা আগে ঘটেনি। এটা নিছক কাকতালীয় নয়, এর পেছনে কিছু একটা রয়েছে।
দুটি ঘটনায়ই ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশের তদন্তই বলে দেবে—এগুলি দুর্ঘটনা, আত্মহত্যা, নাকি পরিকল্পিত কোনো হত্যাকাণ্ড।
প্রতিবেদকের নাম 















