
◼️দেলোয়ার খান–স্টাফ রিপোর্টার
রক্ত সঞ্চালন অধ্যায়ে যে নামটি বারবার আলোচনায় আসে, তিনি ডা. জাহাঙ্গীর কবির। বাংলাদেশে সর্বপ্রথম ‘হার্টমেট-৩’ নামের মেকানিকাল হার্ট স্থাপন করেন তিনিই। দেশের চিকিৎসা ইতিহাসে এক অনন্য মাইলফলক স্থাপনকারী এই গুণীজন আবারো আলোচনায় এসেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমিরের ওপেন হার্ট সার্জারির সফলতা ঘিরে।
জামায়াত আমিরের হৃদযন্ত্রে চারটি বাইপাস প্রয়োজন ছিল, যা আল্লাহর রহমতে সফলভাবে সম্পন্ন করেন ডা. জাহাঙ্গীর কবির। তার অভাবনীয় দক্ষতায় এ পর্যন্ত তিনি ২৯ হাজারেরও বেশি হার্ট সার্জারি সম্পন্ন করেছেন, যা চিকিৎসা জগতে এক অসাধারণ রেকর্ড।
শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ থেকে ১৯৮২ সালে এমবিবিএস পাশ করার পর থেকেই শুরু হয় তার চিকিৎসা জীবনের পথচলা। দীর্ঘ অভিজ্ঞতা ও বিশ্বমানের জ্ঞান থাকা সত্ত্বেও এমন অনেক গুণী চিকিৎসক দেশের নানা প্রান্তে রয়েছেন, যাদের প্রতিভা আজও প্রচারবিমুখ থেকে গেছে। এর প্রধান কারণ আমাদের দুর্বল ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তির সীমাবদ্ধতা ও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাব।
এমন বাস্তবতায় দরকার ছিল একটি কার্যকর স্বাস্থ্যনীতি, যেটা শুধু শহর নয়, গ্রাম পর্যায়ে পৌঁছে যাবে। এই দায়িত্ব নিতে হবে রাজনীতিকদের। তারা যদি আন্তরিক হন, তাহলে বাংলাদেশে হাজারো জাহাঙ্গীর কবির তৈরি হবে, যারা দেশের মানুষের জন্য নিবেদিতপ্রাণ হয়ে কাজ করবে।
বর্তমানে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল দেশের অন্যতম একটি আধুনিক চিকিৎসাকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত। এখানেই কর্মরত আছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাইদুর রহমান। তিনি দৈনিক ক্রাইম তালাশকে জানান, দেশের অসহায় জনগণের জন্য উন্নত চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করতে তার চেষ্টার কোনো কমতি থাকবে না।
জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনতে চিকিৎসা ব্যবস্থার গুণগত মান বাড়াতে হবে। তখনই আমরা বলতে পারবো, বাংলাদেশেই চিকিৎসা সম্ভব — বিশ্বের মানের চেয়ে কোনো অংশেই কম নয়।
প্রতিবেদকের নাম 
















