Dhaka ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য অনলাইন পদ্ধতি বাতিল:সরাসরি উপস্থিতিতে পাওয়া যাবে সাংবাদিক কার্ড নীলফামারী ৩ জলঢাকা আসনে ধানের শীষের পক্ষে লক্ষ মানুষের ঢল:প্রচার প্রচারণায় ব্যস্ত সাধারণ জনগণ চট্টগ্রাম ১০ আসন: আমবাগান এলাকায় বিএনপি ও জামায়াত মধ্যে সংঘর্ষ ভোটার প্রভাবিতের অভিযোগে নতুন বিতর্ক: বিকাশ–নগদ নম্বর দিয়ে ভোট চাওয়ার অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমাধি পরিদর্শনে চট্টগ্রামে নিযুক্ত আমেরিকার রাষ্ট্রদূত ‎৯ মাস ক্লাসে না এসেও সরকারি বেতন তুলেছেন মাদ্রাসা শিক্ষক জামালগঞ্জে প্রকাশ্যে কৃষিজমির টপসয়েল লুট: আইন প্রয়োগে নীরব প্রশাসন জলঢাকায় জামায়াত কর্মীর বিএনপিতে যোগদান:ফুলের মালা ও ধানের শীষের চাদরে বরণ

নাক ডাকা কি অলসতার লক্ষণ? না কি লুকানো রোগের ইঙ্গিত

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ১০:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫
  • ১৩৪ সময় দেখুন

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

 

রাতে গভীর ঘুমে অনেকেই নাক ডাকেন। এটি অনেক সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন, নাক ডাকা অলসতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তির লক্ষণ। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, বিষয়টি এত সহজ নয়। নাক ডাকা শুধু ঘুমের আওয়াজ নয়, এটা হতে পারে শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো বড় সমস্যার ইঙ্গিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাক ডাকা সাধারণত ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধার কারণে ঘটে। ঘুমের সময় গলার পেছনের টিস্যুগুলো কাঁপে এবং শব্দ সৃষ্টি করে। কিন্তু যখন এই নাক ডাকা অতিরিক্ত মাত্রায় হয় বা এর সঙ্গে শ্বাসরোধের মতো সমস্যা দেখা দেয়, তখন এটাকে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)। এই অবস্থায় ঘুমের মধ্যে একাধিকবার শ্বাস আটকে যায়, যা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

নাক ডাকার পেছনে যেসব কারণ থাকতে পারে তার মধ্যে রয়েছে— – অতিরিক্ত ওজন – নাকের গঠনজনিত সমস্যা – ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ – ঘাড় ও গলার পেশির দুর্বলতা – অ্যালার্জি বা ঠান্ডা জনিত সমস্যা।

চিকিৎসকরা বলেন, নিয়মিত নাক ডাকার সঙ্গে যদি দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব, মাথাব্যথা, মনোযোগের ঘাটতি, উচ্চ রক্তচাপ বা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়—তবে এটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। অনেক সময় এই উপসর্গগুলো অগ্রাহ্য করলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকিও বাড়ে।

সমাধানের পথও রয়েছে। ওজন কমানো, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস, পাশ ফিরে ঘুমানো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সিপিএপি মেশিন ব্যবহার—এসব উপায় মেনে চললে সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব।

নাক ডাকাকে হালকাভাবে না নিয়ে বরং সময় থাকতেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কারণ ছোট ছোট লক্ষণই হতে পারে বড় বিপদের পূর্বাভাস। আর সচেতনতা—সেটাই তো সুস্থ জীবনের মূল চাবিকাঠি।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

জনপ্রিয়

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নারী ‘শিল্পী’র বিশাল মাদক সাম্রাজ্য

নাক ডাকা কি অলসতার লক্ষণ? না কি লুকানো রোগের ইঙ্গিত

আপডেটের সময়: ১০:৩৫:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ জুলাই ২০২৫

স্বাস্থ্য ডেস্ক◼️

 

রাতে গভীর ঘুমে অনেকেই নাক ডাকেন। এটি অনেক সময় পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। অনেকেই ভাবেন, নাক ডাকা অলসতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তির লক্ষণ। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞান বলছে, বিষয়টি এত সহজ নয়। নাক ডাকা শুধু ঘুমের আওয়াজ নয়, এটা হতে পারে শরীরের ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনো বড় সমস্যার ইঙ্গিত।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাক ডাকা সাধারণত ঘুমের সময় শ্বাসপ্রশ্বাসে বাধার কারণে ঘটে। ঘুমের সময় গলার পেছনের টিস্যুগুলো কাঁপে এবং শব্দ সৃষ্টি করে। কিন্তু যখন এই নাক ডাকা অতিরিক্ত মাত্রায় হয় বা এর সঙ্গে শ্বাসরোধের মতো সমস্যা দেখা দেয়, তখন এটাকে বলা হয় অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া (OSA)। এই অবস্থায় ঘুমের মধ্যে একাধিকবার শ্বাস আটকে যায়, যা মস্তিষ্ক ও হৃদযন্ত্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে।

নাক ডাকার পেছনে যেসব কারণ থাকতে পারে তার মধ্যে রয়েছে— – অতিরিক্ত ওজন – নাকের গঠনজনিত সমস্যা – ধূমপান ও অ্যালকোহল গ্রহণ – ঘাড় ও গলার পেশির দুর্বলতা – অ্যালার্জি বা ঠান্ডা জনিত সমস্যা।

চিকিৎসকরা বলেন, নিয়মিত নাক ডাকার সঙ্গে যদি দিনের বেলায় ঘুম ঘুম ভাব, মাথাব্যথা, মনোযোগের ঘাটতি, উচ্চ রক্তচাপ বা নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়—তবে এটি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। অনেক সময় এই উপসর্গগুলো অগ্রাহ্য করলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি স্মৃতিভ্রংশের ঝুঁকিও বাড়ে।

সমাধানের পথও রয়েছে। ওজন কমানো, ধূমপান বর্জন, নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস, পাশ ফিরে ঘুমানো এবং প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে সিপিএপি মেশিন ব্যবহার—এসব উপায় মেনে চললে সমস্যার অনেকটাই সমাধান সম্ভব।

নাক ডাকাকে হালকাভাবে না নিয়ে বরং সময় থাকতেই ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। কারণ ছোট ছোট লক্ষণই হতে পারে বড় বিপদের পূর্বাভাস। আর সচেতনতা—সেটাই তো সুস্থ জীবনের মূল চাবিকাঠি।