
◼️স্বাস্থ্য ডেস্ক
অনেকেই মনে করেন মাথাব্যথা মানেই মাইগ্রেন। কিন্তু এই ধারণা একেবারেই সঠিক নয়। মাথাব্যথার ধরন, স্থায়িত্ব ও উপসর্গ অনুযায়ী এর পেছনে কারণ ভিন্ন হতে পারে। সাধারণ মাথাব্যথা আর মাইগ্রেন—দুইয়ের মধ্যে রয়েছে স্পষ্ট পার্থক্য। সময়মতো বুঝে না নিলে চিকিৎসায় দেরি হতে পারে, যা ভবিষ্যতে স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়াতে পারে।
মাথাব্যথা ও মাইগ্রেনের পার্থক্য কী?
সাধারণ মাথাব্যথা হতে পারে মানসিক চাপ, অনিদ্রা, খাবারের অনিয়ম, চোখের সমস্যা বা সাইনাসের কারণে। এই ব্যথা অনেক সময় মাথার পুরো অংশে ছড়িয়ে পড়ে এবং তুলনামূলকভাবে সহনীয় হয়ে থাকে।
অন্যদিকে মাইগ্রেন হলো একটি নিউরোলজিক্যাল সমস্যা। এতে সাধারণত মাথার একপাশে তীব্র ধরণের ব্যথা হয়। সঙ্গে বমিভাব, আলো ও শব্দে অস্বস্তি, চোখে ঝাপসা দেখা বা অবসাদ দেখা দিতে পারে। কারও কারও ক্ষেত্রে এই উপসর্গ শুরু হয় ব্যথা শুরুর আগেই।
মাইগ্রেন চিনে নেওয়ার উপায়:
▫️মাথার এক পাশে তীব্র ব্যথা
▫️আলো বা শব্দে সহ্যক্ষমতা কমে যাওয়া
▫️ব্যথার সঙ্গে বমি বা বমিভাব
▫️চলাফেরায় অসুবিধা অনুভব
▫️চোখের সামনে আলোর ঝলকানি দেখা।
কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
যদি মাথাব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হয় বা সপ্তাহে কয়েকবার ফিরে আসে, তবে তা উপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। মাইগ্রেন নির্ণয়ের জন্য কিছু নির্দিষ্ট পরীক্ষা লাগতে পারে এবং চিকিৎসা অনেকটাই রোগীর জীবনযাপন ও খাদ্যাভ্যাসের ওপর নির্ভর করে।
প্রতিরোধে যা করণীয়;
▫️পর্যাপ্ত ঘুম ও বিশ্রাম নিশ্চিত করা
▫️চা-কফি, চকলেট বা অতিরিক্ত লবণজাতীয় খাবার এড়িয়ে চলা
▫️হাইড্রেটেড থাকা
▫️নিয়মিত হালকা ব্যায়াম করা
▫️মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা।
মাথাব্যথা হালকা মনে করে অবহেলা না করে, কারণটা জেনে নেওয়াই ভালো। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত আপনাকে ভবিষ্যতের বড় বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে।
প্রতিবেদকের নাম 
















