
◼️স্বাস্থ্য ডেস্ক:
ঘুমের সমস্যা বা অনিদ্রা আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে। অনেক সময় দিনের কাজের ব্যস্ততা কিংবা স্ট্রেসকে আমরা দায়ী করি, কিন্তু ঘুম না হওয়ার পেছনে আরও কিছু গোপন কারণ থাকতে পারে যেগুলো আমরা অনেকেই জানি না।
শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে গেলে ঘুম আসতে দেরি হয় কিংবা ঘুম গভীর হয় না। যারা দীর্ঘ সময় ধরে মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তাদের ক্ষেত্রে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
পেট ভরে খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়া ঘুমের শত্রু হতে পারে। অতিরিক্ত তেলযুক্ত কিংবা মসলা দেওয়া খাবার খেলে হজমে সমস্যা হয়, ফলে ঘুম ব্যাহত হয়।
কফি বা চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাফেইন রাতে ঘুমের সময়েও আপনাকে জাগিয়ে রাখতে পারে। অনেকেই বিকেলের পরও বারবার চা বা কফি পান করেন, যা ঘুমের বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়।
অতিরিক্ত মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগ আমাদের মস্তিষ্ককে সচল রাখে। ফলে ঘুমানোর সময় হলেও মাথায় চিন্তার ভিড় লেগেই থাকে, যা গভীর ঘুমে যেতে বাধা দেয়।
অপর্যাপ্ত শারীরিক পরিশ্রম ঘুমের ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। যারা দিনভর বসে বসে কাজ করেন কিংবা শারীরিকভাবে সক্রিয় নন, তাদের ক্ষেত্রে ঘুম আসতে সময় লাগে।
ঘুম মানুষের স্বাভাবিক চাহিদা। এই চাহিদা পূরণ না হলে শরীর ও মনের ওপর পড়তে পারে ভয়াবহ প্রভাব। তাই সময় থাকতে ঘুম না হওয়ার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করে জীবনযাপন পদ্ধতিতে কিছু পরিবর্তন আনলে ঘুম হবে শান্তিময় এবং স্বাস্থ্যও থাকবে সুরক্ষিত।
প্রতিবেদকের নাম 
















