Dhaka ১২:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনামঃ
নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার হাসপাতালে স্বাস্থ্যমন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন, অনুপস্থিত চিকিৎসক বদলি ও নৈশপ্রহরী বরখাস্ত সুনামগঞ্জে প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ধর্ষণ মামলায় যুবক আটক বগুড়ার দুপচাঁচিয়ায় চুরি হওয়া R15 মোটরসাইকেল কুড়িগ্রাম ও রংপুরে অভিযান চালিয়ে উদ্ধার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে জমি দখল ও ১০ তলা ভবন নির্মাণের অভিযোগ সুনামগঞ্জে উকিলপাড়া ব্যবসায়ী সমিতির নতুন কমিটির অভিষেক সম্পন্ন মাদকের অভিযোগে ‘আলোকিত লালমনিরহাট’ এর ৪ সদস্য বহিষ্কার ও কারাগারে নরসিংদীতে সাঁড়াশি অভিযান, ১৮ সন্ত্রাসী গ্রেপ্তার সুনামগঞ্জে প্রতিবন্ধী তরুণীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধ গ্রেপ্তার যাত্রাবাড়ীতে ৭০ কেজি গাঁজাসহ পিকআপ জব্দ, গ্রেফতার ১

লালমনিরহাট জেলা শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সাংবাদিক পুলিশ সদস্য সহ আহত ১০ জন

  • প্রতিবেদকের নাম
  • আপডেটের সময়: ০৯:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
  • ২৪৮ সময় দেখুন
print news

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে শ্রমিকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুই সাংবাদিক ও এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন  শ্রমিক আহত হয়েছেন।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় লালমনিরহাট  জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের দুটি গ্রুপই নিজেদের বিএনপির শ্রমিক দলের নেতা কর্মী বলে দাবী করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের পুরনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর (২৪৯৩) বহাল রাখার দাবিতে শ্রমিক নেতা বাবলুর নেতৃত্বে একটি পক্ষ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, একই সংগঠনের অন্য পক্ষ নতুন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে সমাবেশ করছিল। দুই পক্ষেই বাসটার্মিনাল নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। যখন বাবলুর নেতৃত্বে মিছিলটি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পৌঁছায়, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষে রুপ নেয়। শুরু হয়ে যায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ উভয় শ্রমিক সংগঠনের উপর মৃদু লাঠি চার্জ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশ টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য, দুই সংবাদকর্মীসহ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। ঘটনার পর পরে রিজার্ভ পুলিশ এসে উভয়কে ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ও পরিবেশ শান্ত রয়েছে। জানমালের নিরাপত্তা ও হেফাজতে পুলিশ যেকোন পরিস্থিতিতে কঠোর হতে বাধ্য হবে বলেও তিনি জানান।

লেখক সম্পর্কে তথ্য

"'দৈনিক ক্রাইম তালাশ' একটি অনুসন্ধানী সংবাদ মাধ্যম, যা সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সমাজের অসঙ্গতি তুলে ধরতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে নিরন্তর তথ্য ও সত্য সংবাদ প্রদান করা।"
জনপ্রিয়

নরসিংদীতে বাসে অভিযান, দেড় হাজার ইয়াবাসহ নারী গ্রেপ্তার

লালমনিরহাট জেলা শ্রমিক দলের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ সাংবাদিক পুলিশ সদস্য সহ আহত ১০ জন

আপডেটের সময়: ০৯:৫০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২৪
print news

মো:সাদেকুল ইসলাম,লালমনিরহাট জেলা প্রতিনিধি: লালমনিরহাটে শ্রমিকদের দুটি গ্রুপের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এই সংঘর্ষে দুই সাংবাদিক ও এক পুলিশ সদস্যসহ অন্তত ১০ জন  শ্রমিক আহত হয়েছেন।

আজ রবিবার (৮ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় লালমনিরহাট  জেলার কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। শ্রমিকদের দুটি গ্রুপই নিজেদের বিএনপির শ্রমিক দলের নেতা কর্মী বলে দাবী করেছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, লালমনিরহাট জেলা বাস মিনিবাস কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের পুরনো রেজিস্ট্রেশন নম্বর (২৪৯৩) বহাল রাখার দাবিতে শ্রমিক নেতা বাবলুর নেতৃত্বে একটি পক্ষ মিছিল নিয়ে কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালের দিকে যাচ্ছিল। অপরদিকে, একই সংগঠনের অন্য পক্ষ নতুন রেজিস্ট্রেশন নিয়ে সমাবেশ করছিল। দুই পক্ষেই বাসটার্মিনাল নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করে। যখন বাবলুর নেতৃত্বে মিছিলটি কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনালে পৌঁছায়, তখন উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। প্রথমে হাতাহাতি এবং পরে সংঘর্ষে রুপ নেয়। শুরু হয়ে যায় ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া। পুলিশ উভয় শ্রমিক সংগঠনের উপর মৃদু লাঠি চার্জ করে ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়। এক পর্যায়ে পুলিশ টিকতে না পেরে পিছু হটতে বাধ্য হয় এবং নিরাপদ আশ্রয়ে চলে যায়। এতে এক পুলিশ সদস্য, দুই সংবাদকর্মীসহ শ্রমিকদের দুই গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। ঘটনার পর পরে রিজার্ভ পুলিশ এসে উভয়কে ছত্র ভঙ্গ করে দেয়। বর্তমানে পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানা গেছে।

লালমনিরহাট সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাদের জানান, সংঘর্ষের পর পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে ও পরিবেশ শান্ত রয়েছে। জানমালের নিরাপত্তা ও হেফাজতে পুলিশ যেকোন পরিস্থিতিতে কঠোর হতে বাধ্য হবে বলেও তিনি জানান।